ঋত্বিক প্রধান, এগরা: বাদাম তোলার সময় হতেই দফায় দফায় বৃষ্টি। আর তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন কৃষকরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে চিনা বাদাম চাষিদের (Egra Farmer Situation) মাথায় হাত। এগরা  মহকুমা এলাকার চাষিরা পড়েছেন চরম দুশ্চিন্তায়।                   

ক্ষতির আশঙ্কা কৃষকদের: গত কয়েকদিন ধরে ঝড় বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গজুড়ে। যার সবথেকে বেশি প্রভাব পড়েছে উপকূলের জেলাগুলিতে। প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় মাথায় হাত এগরার চিনে বাদাম চাষিদের।  বাদাম তোলার সময় হতেই দফায় দফায় বৃষ্টি শুরু হয়। যার ফলে চাষিরা পড়েছেন বিপদে। দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়ার ফলে ব্যাপক ক্ষতি দেখা দিয়েছে চিনে বাদাম চাষে। চরম বিপাকে পড়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা মহকুমার বাদাম চাষিরা। অধিকাংশ চাষি ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে চাষ করেছিলেন। এবার বাদামের ফলন কম হওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা। এগরা মহকুমায় এবার প্রায় আট হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে বাদাম। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাদামের ফলন কমেছে। ফলে তাঁদের আশঙ্কা বাদামের দাম এবার সঠিক পাবেন না। লোকসানের হাত থেকে বাঁচতে জমি থেকে জল বের করার ব্যবস্থায় হাত লাগিয়েছেন চাষিরা। কিন্তু তাতেও কতটুকু বাঁচবে বাদাম গাছ সেনিয়েই চরম দুশ্চিন্তায় তাঁরা।

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া: আপাতত দক্ষিণবঙ্গে আর্দ্রতাজনিত চরম অস্বস্তি। স্থানীয়ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সোমবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি হবে। সঙ্গে হালকা ঝড়ো বাতাস বইতে পারে। তাপমাত্রা বাড়বে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চার থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে বিভিন্ন জেলাতে। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই শুষ্ক আবহাওয়ার সম্ভাবনা। গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া সঙ্গে বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ভোগাতে পারে।

এদিকে প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়ায় ডুয়ার্সের বিন্নাগুড়িতে ভেঙে পড়েছে গাছ। ক্ষতিগ্রস্ত দুটি গাড়ি। বরাত জোরে প্রাণে বেঁচেছেন বেশ কয়েকজন। আহত হয়েছেন দুজন। গতকাল শনিবার দুর্ঘটনাটি ঘটে হলদিবাড়ি থেকে বিন্নাগুড়িগামী রাজ্য সড়কে। এমনকি রাস্তার পাশে একটি বাড়িতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি পণ্যবাহী লড়ির উপর ও সেই গাছের অংশ ভেঙে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেই গাড়ি টিও। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে হলদিবাড়ি থেকে বিন্নাগুড়ি গামী রাজ্য সড়ক। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়ে বানারহাট হাসপাতালে।