কলকাতা: জোড়াফুল কার? এই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড় হয়ে উঠেছে, 'কালীঘাট তৃণমূল' এবং 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এর অন্দরে। আর এই জল্পনার অবসান ঘটাতেই, কাল ফের ২ তৃণমূলকে ডাকল কমিশন। সূত্রের খবর, আগামীকাল ফের ২ তৃণমূলকে শুনানিতে ডাকল কমিশন। কার দখলে প্রতীক? কালই কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ কমিশনের? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আগামীকাল দুপুর ৩টেয় 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এর সঙ্গে বৈঠক কমিশনের। আর এর পরে, আগামীকাল বিকেল ৪টেয় 'কালীঘাট তৃণমূল'-এর সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন, এমনটাই জানা গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'কমিশনকে যা জবাব দেওয়ার দিয়েছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কপি পাঠিয়েছি। কমিশনের ওপর আস্থা আছে।' আর ঋতব্রতর পাল্টা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'কমিশন ওদের আবেদন খারিজ করবে। প্রতীক বাতিল হলে বিধায়ক পদও বাতিল হোক।'
তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক কে পাবেন, তা নিয়ে ফয়সালা হতে পারে আগামীকাল
অন্যদিকে, তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক কে পাবেন, তা নিয়ে ফয়সালা হতে পারে বৃহস্পতিবার। তার আগে রেজিনগরের 'কালীঘাট তৃণমূল'-এর প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী দাবি ঘিরে শোরগোল পড়ে গেছে। তিনি বলছেন, "দিদি আমাদেরকে বলেছেন যদি আমরা প্রতীক পাই নিশ্চয়ই আমি প্রচারে যাব। কিন্তু প্রতীক যদি না দেয়, তাহলে আমি চিন্তাভাবনা করে প্রচারে যাব।" এই আবহে ফের একবার নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা। অন্যদিকে দু'পক্ষকেই কটাক্ষ করেছে বিজেপি।
কী হবে প্রতীক হাতছাড়া হলে? কী বলছে তৃণমূল?
এই প্রসঙ্গে, রবিউল আলম চৌধুরী বলছেন, 'দিদি আমাদেরকে বলেছেন যদি আমরা প্রতীক পাই নিশ্চয়ই আমি প্রচারে যাব। কিন্তু প্রতীক যদি না দেয়, তাহলে আমি চিন্তাভাবনা করে প্রচারে যাব।' একদিকে 'কালীঘাট-তৃণমূল', আরেকদিকে 'ঋতব্রত-তৃণমূল'! শেষপর্যন্ত তৃণমূলের জোড়াফুলের অধিকার থাকবে কার হাতে? এখনও সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি নির্বাচন কমিশন! তবে, বৃহস্পতিবারই হতে পারে ফয়সালা। ইতিমধ্য়েই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে জোড়াফুল চিহ্নে মনোনয়ন জমা দিয়েছে তৃণমূলের দুই শিবিরই। 'কালীঘাট-তৃণমূল' জোড়াফুল প্রতীক না পেলে কি প্রচারে যাবেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়? এই প্রসঙ্গে রবিউল আলম চৌধুরী বলছেন, 'আমাদের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় একটা কথা বলেছেন আমাদের যে জোড়াফুল সেই প্রতীকের জন্য আমরা আবেদন করেছি এবং আমাদের প্রার্থীরাও সেই জোড়াফুল প্রতীক চিহ্ন নিয়েই তাঁরা তাঁদের সিম্বল জমা করেছেন। যদি নির্বাচন কমিশনার অন্যরকম কিছু ভেবে থাকেন, যে আমরা প্রতীক দেব না, তাহলে দিদি আমাদেরকে বলেছেন যদি আমরা প্রতীক পাই নিশ্চয়ই আমি প্রচারে যাব। কিন্তু প্রতীক যদি না দেয়, তাহলে আমি চিন্তাভাবনা করে প্রচারে যাব। আশা তো করছি। দিদি তো বলছেন প্রতীক আমরাই পাব।'
আরও পড়ুন: Dev: 'ভোটের রেজাল্টটা উল্টো হলে, আমিও ব্যান হতাম', সোজাসাপ্টা দেব
