কলকাতা: রাজ্যে ছাব্বিশের ভোটের ফলপ্রকাশের পরেও নানা সমীকরণ প্রকাশ্যে আসছে। ফের শিরোনামে তৃণমূল বিধায়করা।  কালীঘাটের বৈঠকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে উপস্থিতির সংখ্যা কমে যাওয়া । তবে কি আরও বিধায়ক তৃণমূল ছাড়ছেন ? ঠিক এমন সময়ই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সন্দীপন সাহা। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, সাংবাদিকদের মুখোমুখি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার কোন বড় ইস্যু ? "মুখ্যমন্ত্রী বা বিজেপির রাজ্য সভাপতি নিশ্চিত.."

Continues below advertisement

এদিন তিনি বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন, '৫৮ জন যখন সই করেছেন, বাকি সংখ্যাও আরও বাড়বে। ৩১ তারিখে কালীঘাটের মিটিংয়ে ২০জন ছিল। ৫ তারিখের মিটিংয়ে ৮জন বিধায়ক ছিল।  অনেক বিধায়ক যোগাযোগে আছে। আমরা যে কারণে লড়াই করেছি, সেটা সকল বিধায়ক মেনে নিয়েছে। অনেক বিধায়কের মধ্যে জ্বালা রয়েছে, তাই এখন সকলে বিক্ষুব্ধ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে এতদিন দলটা চালিয়েছে তাতে করে সংগঠনের জোর কমেছে। বহু বিধায়ক আগের বার্তা পাঠিয়েছে, তাঁদের কথা শোনা হয়নি। এজেন্সিকে ব্যবহার করে রাজনীতি করেছে অভিষেক।'

প্রশ্ন: ৫৮,..তারপরে গুঞ্জন ৬০, ৬৪ এরকম বিভিন্ন সংখ্যা, অফিশিয়াল ৫৮ , আপনারা প্রমাণ করেই দিয়েছেন। সংখ্যাটা গিয়ে ঠিক কোথায় দাঁড়াবে ?

 বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সন্দীপন সাহা : যখন ৫৮ জন সই করেছে, তখন ৫৮ তেই থাকুক, বাকি সংখ্যা যখন বাড়বে , আপনি জেনে যেতে পারবেন। এটুকু বলতে পারি, ৩১ তারিখ যখন মিটিং ডাকা হয়েছিল কালীঘাটে, ২০ জন পৌঁছেছিল। ৫ তারিখ যে মিটিং ডাকা হয়েছিল, সেখানে ৮ জন বিধায়ক পৌঁছেছিল। এর থেকেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে, যে আগামী দিন যেই বিধায়করা, ৫৮ জনের মধ্যে নেই, তাঁরা কোন দিকে যেতে চলেছে, এটা তো সময়ের সঙ্গেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। 

প্রশ্ন: একটা বিষয় পরিষ্কার করুন, সংখ্যাটা কি ৬০-৬২..একটা ফিগারের কাছাকাছি তো যাবেন। 

 বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সন্দীপন সাহা: দেখুন ফিগার আমি ওইভাবে দিই না। কারণ যতক্ষণ না কেউ এসে আমাদের অফিসে এসে সই করছে,  সেই ফিগারটা আমার মনে হয় পাবলিশ করা উচিত নয়। যে ৫৮ জন সই করেছিলেন, তার বাইরেও অনেক বিধায়ক যোগাযোগে আছে।  এবং তাঁরাও আমাদের সঙ্গে সহমত পোষণ করছে। কারণ আমরা যেই কারণে এই লড়াইটা লড়েছি, সেই কারণ তো সবার জন্যই এক। আমরা হয়তো সেই কারণটা তুলে ধরেছি। আমরা হয়তো ট্রিগার। কিন্তু সেই কারণগুলি সবার জন্যই এক। সবাই সেইভাবেই ভুক্তভোগী। সবারই মনে সেই জ্বালা রয়েছে।