Amit Shah: ফলতায় ডাহা ফেল করেছে তৃণমূল। মুখ থুবড়ে পড়েছে ডায়মন্ড হারবার মডেল। ফলতার পুনর্নির্বাচনে লক্ষাধিক ভোটে জিতেছে বিজেপি। আর চতুর্থ স্থানে থেকে জমানাত বাজেয়াপ্ত হয়ে গিয়েছে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের। দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস। বিজেপি প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ভয়ের রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষের বার্তা, পোস্ট অমিত শাহেরও। 

Continues below advertisement

সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লিখেছেন, 'ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপুল বিজয় হলো প্রগতির পক্ষে এবং ভয়ের রাজনীতির বিরুদ্ধে বাংলার চূড়ান্ত রায়। ফলতার জনগণকে তাঁদের আশীর্বাদের জন্য আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।' 

যেন ৪ মে-র রিপিট টেলিকাস্ট। সারা রাজ্যের মতোই, এবার ফলতার পুনর্নির্বাচনেও আছড়ে পড়ল গেরুয়া ঝড়। মুখ থুবড়ে পড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ডায়মন্ড হারবার' মডেল। আর তৃণমূলের প্রার্থী, স্বঘোষিত পুষ্পা, যিনি 'ঝুকেগা নেহি' বলে হুঙ্কার দিয়েছিলেন, ভোটের ফলে তিনি ঝুঁকলেনই না, একেবারে শুয়ে পড়লেন। পুনর্নির্বাচনের আগে, ভোটের ময়দান ছেড়ে পালিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। সেখানেই বিপুল ভোটে জয়ী হল বিজেপি। তৃণমূল নেমে গেল চতুর্থ স্থানে। দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল সিপিএম। উল্লেখযোগ্যভাবে তৃতীয় স্থানে রইল কংগ্রেস। 

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট হলেও, একমাত্র ব্যতিক্রম ছিল ফলতা। ভোটে কারচুপি থেকে ভয় দেখানো, ভুরি ভুরি অভিযোগ ওঠায় গোটা ফলতা বিধানসভাতেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার ২১ মে সেই পুনর্নির্বাচনে ফলতায় ভোট পড়েছিল ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। রবিবার ভোটের ফল বেরোতে দেখা গেল, বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা ভোট পেয়েছেন ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৬৬টি। যা ৭১ শতাংশের বেশি।  দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ISF সমর্থিক সিপিএমর প্রার্থী শমভু কুড়মির ঝুলিতে গেছে ৪০ হাজার ৬৪৫টি ভোট। অর্থাৎ ১৯ শতাংশের সামান্য বেশি। ফলতার কংগ্রেস প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক মোল্লা ১০ হাজার ৮৪টি ভোট পেয়েছেন, যা প্রায় ৫ শতাংশ। আর চতুর্থ স্থানে থাকা তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৭ হাজার ৭৮৩ জন। শতাংশের বিচারে যা ৪-এর কাছাকাছি। অর্থাৎ ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জয়ী হল বিজেপি।