হংসরাজ সিংহ, পুরুলিয়া: এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানির দিন বাড়ির দূরের রেললাইন থেকে পাড়া ব্লকের চৌতালা গ্রামে  ৮২ বছর বয়সী আদিবাসী বৃদ্ধ দুর্জন মাঝির দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের সদস্যসহ তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করে, SIR শুনানির আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছেন দুর্জন। ২৯ ডিসেম্বর এই ঘটনার পর সোমবার বাড়ির পাশে দুর্জনের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী সিতামণি মাঝি, ছেলে কানাই মাঝি সহ তৃণমূল নেতৃত্ব।

Continues below advertisement

এদিন দুর্জনের ছেলে কানাই মাঝি বলেন, ঘটনার প্রথম দিন থেকেই তৃণমূল নেতৃত্ব তাদের পরিবারের পাশে রয়েছে ও সবরকম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়‌ তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। কিছুদিনের মধ্যে চাকরিতে যোগ দেবেন বলেও তিনি দাবি করেছেন। তবে এই ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন তিনি। সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মৃত দুর্জনের পরিবারের পাশে দল সবসময় রয়েছে। তবে তার মৃত্যুর জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশনের ভুল পদক্ষেপ দায়ী। তাই দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। বিজেপির রাজ্য নেতা বিদ্যাসাগর চক্রবর্তীর দাবি নির্বাচনের আগে মৃত মানুষদের নিয়ে রাজনৈতিক উচ্ছেদ তৃণমূল। রাজ্যে এই প্রথম এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন মৃত ব্যক্তির আবক্ষ মূর্তির উন্মোচন।

SIR-নিষ্পত্তিতে বিচারকরা, 'বাধা'র আশঙ্কা শুভেন্দু অধিকারীর SIR-নিষ্পত্তিতে বিচারকরা, 'বাধা'র আশঙ্কা শুভেন্দু অধিকারীর। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ চান বিরোধী দলনেতা। হাইকোর্টের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকেও নজর রাখার দাবি শুভেন্দুর। তিনি বলছেন, ''BDO-দের মধ্যস্থতাকারী অফিসার নিয়োগ করতে ADM-দের নির্দেশ। বিচারকদের স্বাধীন কাজে চাপ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল সরকার। কারচুপির চেষ্টা চালাতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।''

Continues below advertisement

এদিকে, বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিস্তর আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন। সিইও মনোজ কুমার আগরওয়ালের নেতৃত্বে এদিনের বৈঠক আয়োজিত হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার, কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক শীর্ষ আধিকারিক থেকে শুরু করে রাজ্য পুলিশের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আগামী ১ মার্চ ও ১০ মার্চ, এই দুই দফায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে রাজ্যে।