নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বাড়ছে আন্দোলনের উত্তাপ। এসআইআর-এ অনিয়মের অভিযোগে আন্দোলনে'ইন্ডি' জোট। আজ দিল্লিতে মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের প্রস্তাব। মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনেই বসবে মক পার্লামেন্ট। গোটা কর্মসূচি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমারকে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, সুপ্রিম কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন প্রত্যাহার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের, দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, "আপনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর.."

Continues below advertisement

গতকাল এই নিয়ে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, জয়রাম রমেশ, কে সি বেণুগোপাল, পবন খেরারা। ছিলেন মমতা তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে আগামী রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশের ডাক বিরোধীদের। গতকাল সোশাল মিডিয়ায় এই বিষয়ে একটি পোস্টও করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভোট চুরির অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিগত কয়েক দিন ধরেই একজোট হয়েছে বিরোধীরা।INDI জোটের বৈঠক হয়েছে। পথে নেমেছেন। আন্দোলন করেছেন। আটক হয়েছেন। এবার ভোট চুরির অভিযোগে ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে জনসভার ডাক দিয়েছে বিরোধীদের INDI জোট৷ সেখানে সবাইকে আহ্বান জানিয়ে রাহুল গান্ধী এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন,আমাদের ভোট চুরি করা হচ্ছে, আমরা কোনওভাবেই চুপচাপ সেটা মেনে নেব না।ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আইনকানুন ভাঙা হয়েছে। আর যাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে। এবার জবাব দেবে দেশ।

১ নভেম্বর — চলো দিল্লি। ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ জনমিছিল ও মহাসমাবেশ। ছাত্র-যুব থেকে কৃষক, শ্রমিক, মহিলা  ও ব্যবসায়ীরা—গণতন্ত্র নিয়ে যাঁদের চিন্তা রয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককে এই কর্মসূচিতে (নয়াদিল্লির রামলীলা ময়দানে) যোগ দেওয়ার জন্য ডাক দেওয়া হচ্ছে।ভোট আপনার। লড়াইটাও আপনার। রাহুল গান্ধী কটাক্ষ করে আরও লিখেছেন, বিজেপি এবং তাদের সহযোগীদের আন্তরিক ধন্যবাদ। এই কর্মসূচির এত জোরদার প্রচার চালিয়ে এবং আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করার জন্য!

আগামী ৭ দিনও এই একই উৎসাহ আর নিষ্ঠা বজায় রাখুন। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন,'নিজেকে বাঁচানোর লড়াই।  দিল্লি কোনও সাধারণ গন্তব্য় নয়। সিনেমা দেখতে ডাকা হয়নি। আগামী দিনে নয়া প্রজন্ম সমস্য়ায় পড়বে। কোনও রোডম্য়াপ নেই, আপনি কোন দিশায় চলবেন? ভারতের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান, সবচেয়ে বড় ধর্মীয় পুস্তক হল ভারতের সংবিধান। সেই (সংবিধান) যখন বিপদে, তাকে (সংবিধান) রক্ষা করতে সংবিধান বাঁচানো দরকার। দেশের গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে নির্বাচন কমিশন। সেই সংবিধানের পবিত্রতা রক্ষা করতে দিল্লি যেতে হবে।'