কমলকৃষ্ণ দে, পূর্ব বর্ধমান: পদ্মা ও গঙ্গা ছাড়িয়ে এবার দামোদরে ইলিশ (Hilsa News)। মাছপ্রিয় বাঙালি বর্ষার অপেক্ষায় থাকে বিশেষত 'মাছের রাজা'-র জন্যই। সেই ইলিশের সন্ধান মিলল এবার দামোদরে। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman)।

Continues below advertisement

পূর্ব বর্ধমানের খন্ডঘোষের বেলাডাঙ্গা এলাকায় দামোদর নদে জাল ফেলতেই জেলের জালে উঠে আসে জোড়া ইলিশ। পদ্মা ও গঙ্গা ছাড়িয়ে দামোদরে ইলিশ মাছ পাওয়ার খবরে আলোড়ন ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খুশির হাসি দেখা যায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যেও। তবে এই প্রথম নয় এর আগেও জামালপুরে দামোদর থেকে রুপালি ইলিশের সন্ধান মেলার খবর পাওয়া গিয়েছিল। এমনকী গাঙ্গেয় ডলফিন ,দৈত্যাকার কাতলা মেলারও খবর পাওয়া যায়। এবার আবার নতুন করে ইলিশের সন্ধান মেলাতে খুশির জোয়ার দামোদরের বিস্তীর্ণ এলাকার জেলেদের মধ্যে। 

জানা যায়, স্থানীয় জেলে সনাতন সরকার প্রতিদিনের মতোই দামোদরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। দামোদর মাছ ধরার সময় জাল তুলতেই জালে তিনি দুই দুইটো ইলিশ মাছ লক্ষ্য করেন। তড়িঘড়ি জাল তুলতে গিয়ে একটি জাল থেকে পালিয়ে গেলেও প্রায় আটশো গ্রাম ওজনের অপর মাছটি তিনি টেনে তুলতে সক্ষম হন। এরপরই সনাতন অন্যান্য জেলে ও স্থানীয়দের ইলিশ পাওয়া যাওয়ার কথা জানাতেই উৎসুকরা ভিড় জমাতে শুরু করেন। 

Continues below advertisement

জোয়ারের জেরে অনেক সময়ই গঙ্গা থেকে বহুপ্রকার জলজ প্রাণী গঙ্গার সাথে মিলিত হচ্ছে এমন নদনদীতে যেমন চলে আসে ঠিক তেমনই খাবারের সন্ধানেও অনেকে অন্যত্র আসে বলে বিশেজ্ঞরা জানাচ্ছেন। তবে দামোদরে ইলিশের সন্ধান সত্যিই চমকপ্রদ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয়দের মধ্যে খুশির হাওয়া।

মেমারির বিধায়কের কড়া হুমকি

'বিধায়কের নামে তোলাবাজি করলে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে পেটাব', তোলাবাজি বন্ধ করতে কড়া হুঁশিয়ারি বিজেপি বিধায়কের। 'বিধায়কের নাম করে কেউ টাকা চাইতে এলে কানের গোড়ায় থাপ্পড় দেবেন। তারপরে বলবেন বিধায়ককে ডেকে নিয়ে আয়', কড়া হুঁশিয়ারি মেমারির বিজেপি বিধায়ক মানব গুহর। 

মেমারির বিজেপি বিধায়ক মানব গুহ বলেছেন, 'বারবার বলছি, বারবার বলছি, কাউকে তোলাবাজি করার সুযোগ দেবেন না। যেই হোক সেই লোকটা। কেউ যদি বিধায়কের নাম করে এসে কিছু বলে, আগে সোজা তাঁকে বেঁধে রাখবেন, তারপর বিধায়ককে ফোন করবেন, আমিও দেখতে চাই কে সেই লোকটা। ভোটের আগেও বলেছি, ভোটের পরেও বলছি, কিন্তু তাও মনে হয় এখনও অনেকের কানে কথা যাচ্ছে না। তোলাবাজি বন্ধ করতে হবে। বিধায়কের নাম করে যদি কেউ আসে, যে বিধায়ক বলেছে এত টাকা দিতে হবে, আগে কানের গোড়ায় একটা থাবড়ে দেবেন, তারপরে বলবেন বিধায়ককে ডেকে নিয়ে আয়। ৩৪ বছরের সিপিএমের রাজত্ব দেখেছেন। রাজা দেখেছেন, সিপিএমের নেতারা রাজা হয়ে বসেছিল। ১৫ বছরের তৃণমূল জমানা দেখেছেন, সবাই রাজা হয়ে বসেছিল। এই সিস্টেমগুলো এবার ভাঙতে হবে।'