সুনীত হালদার, হাওড়া : ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু ভোটের আগে থেকেই পারদ চড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন জেলায়। বেশ উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে কয়েকটি এলাকায়। কোথাও রাতের অন্ধকারে চলেছে গুলি। কোথাও আবার অন্য ধরনের বিশৃঙ্খলা। এর মধ্যেই ভোটের মুখে ফের শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটে গিয়েছে। এবার গুলি চলেছে হাওড়ার গোলাবাড়ি পিলখানা এলাকায়। এক প্রোমোটারকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। কলকাতার তিলজলা রোডের পর হাওড়ার গোলাবাড়ি এলাকায় চলেছে গুলি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রোমোটারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধরা পড়েছে হাড়হিম করা দৃশ্য। ২৭ বছর বয়সী সফিক খানের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। গুলি চালানোর পরেও দিব্যি পায়ে হেঁটেই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা আসতে পারেন বলে খবর। এলাকায় থাকা একটি চায়ের দোকানের সামনে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে শিউরে ওঠার মতো দৃশ্য। 

Continues below advertisement

ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে ফের শ্যুটআউট। হাওড়ার গোলাবাড়ির পিলখানায় গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হল প্রোমোটারকে। নিহত যুবক সফিক খানের (২৭ বছর) বাড়ি ওই এলাকাতেই। কলকাতার তিলজলা রোডের পর হাওড়ার গোলাবাড়িতে চলল গুলি। স্থানীয় সূত্রে খবর, আজ ভোর ৪টে ১০ নাগাদ, ২ আততায়ী হেঁটে এসে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে ৪ রাউন্ড গুলি করে ওই প্রোমোটারকে। যুবকের মাথা ও বুক ফুঁড়ে বেরিয়ে যায় বুলেট। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক অনুমান করা হচ্ছে এলাকার দুই কুখ্য়াত দুষ্কৃতী হারুন খান ও রোহিতের সঙ্গে পুরনো শত্রুতার জেরেই ওই শ্যুটআউট। ঘটনার পর এলাকায় যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নামানো হয়েছে র‍্যাফ । ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে এলাকার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ। পুলিশ সূত্রে খবর, ২ অভিযুক্ত ওই প্রোমোটারের কাছে মোটা টাকা চেয়েছিল। টাকা দিতে না পারায় খুন করা হয়েছে তাঁকে। নিহতের পরিবারেরও অভিযোগ, এই খুনের পিছনে তোলাবাজির ব্যাপার রয়েছে। এই ঘটনায় আর কে বা কারা যুক্ত রয়েছে, কেন ওই প্রোমোটারকে এমন নৃশংস ভাবে খুন করা হল, জানতে জোরকদমে শুরু হয়েছে তদন্ত। 

জনবহুল এলাকায় হেঁটে এসে প্রোমোটারকে মাথায়, বুকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি, তারপর পায়ে হেঁটেই পালাল দুষ্কৃতীরা ! কোথায় নিরাপত্তা, উঠছে প্রশ্ন। 

Continues below advertisement