সুনীত হালদার, হাওড়া : হাওড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা মিথিলা এক্সপ্রেসে আগুন। ওই ট্রেনের জেনারেল কম্পার্টমেন্টের টয়লেট থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি আঁচ করে ছুটে আসে আরপিএফ এবং রেলপুলিশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই কোচটিকে বাকি ট্রেন থেকে বিছিন্ন করে দেওয়া হয়। যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয় স্নিফার ডগ। ফরেন্সিক টিম তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে আগুন তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এদিকে দেশজুড়ে একের পর এক রেল দুর্ঘটনার খবর সামনে এসেছে। এবার উত্তরাখণ্ডের হৃষিকেশে । সোমবার রাতে ঘটল বিরাট বড় রেল দুর্ঘটনা। যোগ নগরী রেলস্টেশনের কাছে লাইনচ্যুত হল উজ্জয়িনী এক্সপ্রেসের তিনটি কোচ।
রাত প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ খাণ্ড গ্রাম এলাকার কাছে ঘটনাটি ঘটে। ডিরেলড হয়ে যাওয়া কামরা কার্যত ঝুলে রইল উপর থেকে। সে এক ভয়াবহ দৃশ্য। স্বস্তির খবর একটাই, দুর্ঘটনার সময় ট্রেনে কোনও যাত্রী ছিলেন না। ফলে বড়সড় প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গিয়েছে।
আগের দিনই বিহারের সাসারাম-পাটনা প্যাসেঞ্জার ট্রেনে বিধ্বংসী আগুন লাগে। দাউদাউ করে জ্বলতে দেখা যায় ট্রেনের একটি কামরা। রেল সূত্রে খবর, সাসারাম স্টেশনের ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল সাসারাম থেকে পাটনাগামী প্রথম প্যাসেঞ্জার ট্রেন। সেই সময় আচমকা আগুন ধরে যায় ট্রেনের একটি কামরায়। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় ট্রেনযাত্রীদের মধ্যে। তবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এর আগের দিন, তিরুঅনন্তপুরম-নিউ দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসে আগুন লাগে। মধ্য়প্রদেশের বিক্রমগড় আলোট এবং লুনিরিচা স্টেশনের মাঝে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
রাজধানী এক্সপ্রেস বিধ্বংসী আগুন লাগে মধ্যপ্রদেশ থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে। দাউদাউ করে জ্বলতে দেখা গেল ট্রেনের এসি কামরা। রেল সূত্রে দাবি করা হয়, কেউ হতাহত হননি। নিরাপদে বের করে আনা যায় যাত্রীদের। গোটা ঘটনায় আবারও রেলযাত্রার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। (Rajdhani Express Fire)
মধ্যপ্রদেশের রত্লাম থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে বিক্রমগড় আলোট এবং লূনী রীছা স্টেশনের মাঝামাঝি জায়গায় এই ঘটনা ঘটে। রবিবার ভোর সওয়া ৫টা নাগাদ ট্রেনের B-1 কামরাটিতে আগুন লাগে। ওই কামরায় ৬৮ জন যাত্রী ছিলেন সেই সময়। ওই কামরা থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে লাগেজ কাম গার্ড ভ্যানেও। মুহূর্তের মধ্যে কার্যত জতুগৃহে পরিণত হয় ট্রেনের ওই দুই কামরা।
