কলকাতা: ৬ ডিসেম্বর প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের জায়গায় জমায়েতের ডাক হুমায়ুনের। 'কব্জায় থাকবে রেজিনগর থেকে বহরমপুর, পারলে রুখে দেখাক প্রশাসন', ৩০ কিমি রাস্তা কব্জায় থাকার হুঙ্কার নওদার AJUP বিধায়ক হুমায়ুনের ।                            

Continues below advertisement

২৬-এর ৬ ডিসেম্বরেও রেজিনগরে বাবরি মসজিদের স্থানে বড় জমায়েতের হুঁশিয়ারি হুমায়ুন কবীরের ।  আগামী ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে রুখে নেবে। রেজিনগর থেকে বহরমপুর ৩০ কিলোমিটার আমার কব্জায়  থাকবে । রেজিনগর থেকে দাবি হুমায়ুন কবিরের। তাঁর দাবি, ওই দিন থেকে মসজিদের কাজ শুরু হবে । 

হুমায়ুনের ঘোষণা,  বাবরি মসজিদ হবে। ২০২৮ সালের ৬ ডিসেবর উদ্বোধন হবে। রেজিনগর থেকে ঘোষণা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের।                                        

Continues below advertisement

বিজেপির তরফে বলা হয়, 'হুমায়ুন কবীর ভুলে গিয়েছেন যে সরকারটা বদল হয়েছে ২০২৫ এর ছাব্বিশ ডিসেম্বর ওঁর ভাষায় যে বাবরি মসজিদ দাবি করে শিলান্যাস করেছিলেন সেই সময় যে সরকারটা ছিল, আগের মুখ্যমন্ত্রী যিনি ছিলেন, তিনি এখন প্রাক্তন। এখন যে সরকারটা চলছে অর্থাৎ যে দিনের কথা বলছেন ৬ ডিসেম্বর ২০২৬ ভুলে যাবেন না সেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী। পঁয়ত্রিশ কিলোমিটার জুড়ে রেজিনগর থেকে বহরমপুর রাস্তা অবরোধের কথা চলেছেন তো। আগে অবরোধ করতে পারেন কিনা তিনি সেটা একবার দেখবেন। সময় কথা বলবে।' 

এ প্রসঙ্গে মমতা তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, 'এই যে বাবরি মসজিদ বিজেপি ভেঙেছিল ১৯৯২ সালের ছয়ই ডিসেম্বর। তখন থেকে তো আমরা তার প্রতিবাদ করেছি। এবার বিজেপি বাবরি মসজিদ ভেঙেছে সবাই জানে। তার পরেও তো ২০১৯ সালে হুমায়ুন কবীর বিজেপিরই প্রার্থী ছিলেন। এখন হঠাৎ তার মনে হয়েছে যে তিনি অন্য কিছু করবেন। এবার তার যে অবস্থানটা, নিশ্চিতভাবে ধর্মকেন্দ্রিক অবস্থান। কিন্তু তার প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কিছু রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। যে প্রভাবটা বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে পারে। আমরাও জানি যে যত বিভিন্ন ভোট আসবে তত বেশি করে এই ধরনের ইস্যু জাগিয়ে তোলা হবে।'