কলকাতা: মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং তৃণমূল থেকে সাসপেন্ডেড হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, 'এই তথাকথিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের আগে, নতুন দল গঠনের আগে ৭ দিন বাংলাদেশে কাটিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। হুমায়ুন কবীর যে বাবরি মসজিদের অর্থ সংগ্রহ করেছেন স্টেট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে, তার ৫০%-এর বেশি অর্থ বাংলাদেশ থেকে এসেছে। হুমায়ুন কবীরই বলতে পারবে এবং হুমায়ুন কবীর, বাংলাদেশের জামাত, মমতা ব্যানার্জির সেতু।'                                                  

পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান। হুমায়ুন কবীর বলেন, 'শুভেন্দুবাবু পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। ওঁর একটা সুন্দর মেয়ে দেখে জীবনসাথীর ওঁর দরকার। ওঁকে সঙ্গ দেবে। যাতে মাথা ঠিক থাকে, সুন্দর পরামর্শ দেন। মাথা ঠান্ডা রাখতে পারবেন। নয়তো নির্বাচন আসার আগে মাথার চিকিৎসা করাতে হবে। যদি উনি বাংলাদেশ থেকে ১ টাকা আনার প্রমাণ দিতে পারেন, তাহলে উনি যা বলবেন সেটাই শুনব।                                        

অনুপ্রবেশ.. বাংলাদেশি..ভুয়ো ভোটার। SIR আবহে রাজনৈতিক তরজায় বারবার ঘুরেফিরে এসেছে এই শব্দগুলো। এই আবহে মঙ্গলবার মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং তৃণমূল থেকে সাসপেন্ডেড হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু অধিকারী।  

এদিকে, ভোটের আগে হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত জোট কার্যত বিশ বাঁও জলে! কয়েক দিন আগে অবধি জোট নিয়ে হুঙ্কার ছাড়ছিলেন যিনি, মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, ফুরফুরা শরিফে পৌঁছে গেছিলেন, সেই হুমায়ুন এখন সিপিএম-আইএসএফ সবাইকে আক্রমণ করছেন। 

কংগ্রেস আগেই জানিয়েছে তারা একা লড়বে! অর্থাৎ হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জোটের প্রশ্নই নেই! কিন্তু যাকে তৃণমূলে থাকাকালীন উঠতে-বসতে আক্রমণ করতেন হুমায়ুন, সেই অধীর চৌধুরী সম্পর্কে এখন তাঁর গলায় নরম সুর! ভরতপুরের বিধায়ক ও চেয়ারম্যান, জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর বলেন, 'অধীর দা যদি বহরমপুরে দাঁড়ায়, আমি সরাসরি বলছি অধীরদার জন্য আমার যে দুর্বলতা আছে, + সে যদি কোনও জায়গায় কনটেস্ট করে, আমি তাঁর জন্য সেই জায়গাতে প্রার্থী দিলেও অপেক্ষাকৃত, যেটুকু হেল্প করার জন্য যা করার করতে পারি।'