ঐশী মুখোপাধ্যায়, পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা:   ১২ ঘণ্টা পর I PAC অফিস থেকে বের হলেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি অভিযানে চক্রান্ত অভিযোগ তুলে বাইরে বিশাল জমায়েত রাজ্যের শাসক নেতা-কর্মীদের। ইডির গাড়ি ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। ইডি আধিকারিকরা বের হতেই একে একে কৃষ্ণা চক্রবর্তী -সহ সুজিত বোসরাও বেরিয়ে যান বলে খবর।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, IPAC অফিসে হানা কাণ্ডে শেক্সপিয়র সরণি থানায়, এবার ED-র বিরুদ্ধে পুলিশের FIR ! ' অবৈধ অনুপ্রবেশ, গায়ে হাত..'

Continues below advertisement

প্রশ্ন : আপনি কি বেরিয়ে যাচ্ছেন ?

কৃষ্ণা চক্রবর্তী : আমি বেরিয়ে যাচ্ছি, আর কে বের হচ্ছে, জানি না।

প্রশ্ন : কী বলবেন ?

কৃষ্ণা চক্রবর্তী : এটা চক্রান্ত হচ্ছে, হতে দিন। 

প্রশ্ন : প্রতীক জৈন-র সঙ্গে কথা হল আপনাদের ?

কৃষ্ণা চক্রবর্তী : না , আমার কোনও কথা হয়নি ।

বিধানসভা ভোটের আগে ফের সংঘাত! I-PAC-এর কর্ণধারের বাড়ি ও অফিসে ED-র তল্লাশি অভিযানের মাঝেই হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী! তুললেন, তৃণমূলের রাজনৈতিক নথি চুরির অভিযোগ। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই তল্লাশি, কোনও পার্টি অফিসকে টার্গেট করা হয়নি। সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফাইল ছিনিয়ে নিয়েছেন। বিবৃতিতে দাবি করেছে ED.

বিধানসভা ভোটের আগে ফের সংঘাত!I-Pac-এর কর্ণধারের বাড়ি ও অফিসে ED-র তল্লাশি অভিযানের মাঝেই হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী! সেখান থেকে বের করে আনলেন ফাইল-সহ একাধিক জিনিস। কয়লা পাচারের টাকা কোথায় কোথায় গেছে? সেই মামলার তদন্তে এদিন দেশজুড়ে ১০ জায়গায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। লাউডন স্ট্রিটে, তৃণমূল ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সল্টলেক সেক্টর ফাইভে, I-Pac-এর অফিস! সূত্রের খবর, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ প্রথমে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসে পৌঁছে যায় ED-র টিম। সকাল ৭টা ১০ নাগাদ ED-র আরও একটি টিম লউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যায়। সকাল ১১টা ৫৫ প্রতীক জৈনের আবাসনে আসেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। এর ৫ মিনিটের মধ্যে বেলা ১২টায় আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের আবাসনে পৌঁছে যান খোদ মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ১৮ মিনিট পর হাতে মাইক্রোফোন, একটি মোবাইল ফোন ও সবুজ রঙের একটি ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,আমাদের দলের সব হার্ড ডিস্ক, প্রার্থী তালিকা, দলের রণকৌশল, দলের পরিকল্পনা হাতাতেই ED-র এই হানা। এটাই কি ED এবং অমিত শাহর কর্তব্য? জঘন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দুষ্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই আমার হার্ডডিস্ক, দেখুন, এই হল ফোন, হার্ড ডিস্ক, এই সব সংগ্রহ করছিল। তারা (ED) ইতিমধ্যেই সেক্টর ফাইভে আমার IT অফিসে আক্রমণ চালিয়েছে। আমি সেখানেও যাচ্ছি।