কলকাতা : আইপ্যাককাণ্ডে CBI চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে ED, তদন্তে আরও জোর পুলিশের। এবার আইপ্যাকের অফিসের নিরাপত্তারক্ষীদের বয়ান রেকর্ড। মুখ্যমন্ত্রীর দায়ের করা দ্বিতীয় FIR-এর ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদ। আইপ্যাক-অফিসের নিরাপত্তারক্ষীদের বয়ান রেকর্ড করল পুলিশ।৮ জানুয়ারি কয়লা পাচারকাণ্ডে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। বৃহস্পতিবার তল্লাশির সময় কারা কারা এসেছিলেন? জানতে চায় পুলিশ। তাই এবার প্রতীক জৈনের বাড়ির পরে অফিসের নিরাপত্তারক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, SIR-শুনানিতে একই গ্রামের কয়েকশো বাসিন্দাকে ডাকার অভিযোগ, প্রতিবাদে বর্ধমানের দেওয়ানদিঘিতে অবরোধ-আগুন !

আইপ্যাক কাণ্ডে পুলিশি তৎপরতা তুঙ্গে। এবার প্রতীক জৈনের বাড়ির সিকিওরিটি রেজিস্টার বুক বাজেয়াপ্ত করল শেক্সপিয়র সরণি থানা। পুলিশের দাবি, বৃহস্পতিবার, তল্লাশিতে গিয়ে রেজিস্টার বুকে সই করেননি ইডি আধিকারিকেরা। নিয়ে নেওয়া হয় নিরাপত্তারক্ষীদের মোবাইল ফোনও। পাল্টা ইডির দাবি, এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এদিকে গোটা ঘটনায়, ইতিমধ্যেই তরজা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। I-Pac-এর কর্ণধারের বাড়ি ও অফিসে ED-র হানা, সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর পৌঁছে যাওয়া, ও ফাইল হাতে বেরিয়ে আসা, এই ঘটনা নিয়ে রীতিমতো উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত।পাশাপাশি পুলিশি তৎপরতাও তুঙ্গে।

Continues below advertisement

ইতিমধ্যেই I-Pac-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসের CCTV ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ, আর এবার, আইপ্য়াকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি যে বহুতলে, তার সিকিওরিটি রেজিস্টার বুক বাজেয়াপ্ত করল শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে দাবি, বৃহস্পতিবার তল্লাশিতে গিয়ে, রেজিস্টার বুকে কোনও সই করেননি ED-র আধিকারিকরা। এমনকী, দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি, বৃহস্পতিবার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চলাকালীন নাইট ডিউটিতে থাকা ও সকালে থাকা ৩ নিরাপত্তারক্ষীকেও তলব করেছে শেক্সপিয়র সরণি থানা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, হাইকোর্টে যে পিটিশন করছে ED, এক নম্বরে আসামি করেছে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে। হাওয়ালার ২০ কোটি টাকা গোয়া নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে খরচ করেছিল। এখন প্রতীক জৈন বলে আরেকটা ডাকাত, দালাল, তার মালিক হয়েছে। যাতে ED ওঁকে ধাক্কাধাক্কি করে। ED-র বিরুদ্ধে মামলাও করতেন। ১ নম্বরে আসামি করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। রাজীব কুমার, মনোজ ভার্মাদের আসামি করতে চেয়েছে। রুল ২৬-A তদন্তে বাধা দেওয়া, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য় তারা বিচার চেয়েছে। FIR করতে চেয়েছে। মামলা CBI-কে হস্তান্তর করার আবেদন করেছে।