Continues below advertisement

আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন সেদেশের সর্বোচ্চ নেতা ও ধর্মীয় প্রধান আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। মৃত্যু হয় তার পরিবারের আরও বেশ কয়েকজনের। তারপরেই প্রত্যাঘাত করল ইরান! আয়াতোল্লার মৃত্যুতে ইরান সহ বিভিন্ন দেশে তাঁর অনুগামীরা  বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। প্রতিবাদ মিছিল বের হয় ভারতের কাশ্মীরেও। দলে দলে মানুষ পথে নেমে খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রতিবাদ করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পথে নামতে পুলিশকে। একাধিক মৃত্যুও ঘটে। বারবার করে শান্তি বজায় রাখার আর্জি জানিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু ভারতের খামেনেই-সমর্থকদের বিক্ষোভ থামানো যাচ্ছিল না। অবশেষে শিশুদের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে আরও কড়া পদক্ষেপ করল সরকার।  জম্মু ও কাশ্মীর সরকার এই সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনির মৃত্যুর পর রবিবার কাশ্মীর উপত্যকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে, বিক্ষোভের আগুন প্রশমিত করতে, সার্বিক শান্তির কথা বিবেচনা করে, দুই দিনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তারপর বিক্ষোভ চলছে। তাই সরকার ৭ মার্চ পর্যন্ত স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী সাকিনা ইতু একটি X-পোস্টে কাশ্মীরের সব স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখার কথা বলেছে।  

Continues below advertisement

সোমবার বেশ কয়েক জায়গায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ।  পুলিশের দিকে পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটে। পাঁচ পুলিশ কর্মী সহ কমপক্ষে ১২ জন আহত হন। এই ঘটনার পর আরও সতর্ক পুলিশ ও প্রশাসন।  শ্রীনগরের লাল চক গত তিন দিন ধরে পুলিশ সিল করে রেখেছে। রবিবার, খামেনেইয়ের হত্যার পর হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয় এই লাল চকেই। তারপর, শহরের কেন্দ্রস্থলের সবকটি প্রবেশ এবং প্রস্থান পথ টিনের প্রাচীর এবং কাঁটাতার দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাছাড়া পরিস্থিতি সামাল দিতে কাশ্মীরে  মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সীমিত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক আদেশ অনুসারে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত ইন্টারনেটের উপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। পরিস্থিতি মূল্যায়নের ভিত্তিতে কড়াকড়ি আরও বাড়ানো হতে পারে।