রানা দাস, পূর্ব বর্ধমান : ভয়াবহ ! ভয়ঙ্কর। কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্কিত সকলে । পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে কাটোয়া-আজিমগঞ্জ ট্রেনের একটি কামরা। কামরাটির অবস্থা গা-শিউরে ওঠার মতো। আশ্চর্যের বিষয়, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান এই আগুন শর্ট সার্কিট থেকে নয়। ভিতরের কোনও ত্রুটির কারণে নয় । তাহলে কী ঘটেছিল কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা  ওই যাত্রী ভরা ট্রেনে? তাহলে কি ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রেনে কি আগুন লাগানো হয়? ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। এমনকী এই  সম্ভাবনার কথা প্রাথমিক তদন্তের পর উঠে এসেছে বলেই খবর রেল সূত্রে।সিসিটিভি ফুটেজে তদন্তকারীদের নজরে এসেছে নাকি, কিছু  বহিরাগতদের আনাগোনা। সূত্রের খবর, সোমবার কাটোয়া স্টেশনে যাবে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল ।            

Continues below advertisement

কামরায় যাত্রী ছিল?                           

রবিবার কাটোয়ায় যে ঘটনা ঘটে যায়, তা কার্যত ভয়াবহ। গা শিউরে ওঠার মতোই। রবিবার ভোরে আচমকা আগুন ধরে যায়, কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কাটোয়া-আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে। সকাল ৬ টা ৫-এ কাটোয়া স্টেশন থেকে ছাড়ার কথা ছিল ট্রেনটির।  কিন্তু তার ঘণ্টা দেড়েক আগেই ঘটে অগ্নিকাণ্ড। ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ হঠাৎ আগুন লাগে একটি কামরায়। কয়েক মিনিটের মধ্যে বিধ্বংসী আকার নেই আগুন। ভষ্মীভূত হয়ে যায় গোটা কামরা। ভোরবেলা স্টেশন চত্বর ছিল ফাঁকা। যাত্রীসংখ্যা ছিল কম।  ওই সময় কামরায় ছিলেন না কোনও যাত্রী। ফলে এড়ানো গেছে আরও বড় বিপদ। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে । এখন পুড়ে খাক হয়ে যাওয়া কামরাটিকে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখে হয়েছে।

Continues below advertisement

 যদি কেউ আগুন লাগিয়েও থাকে, তাহলে কেন ?              

কাছেই বিহার । তাহলে কি ভিন রাজ্যের কেউ এই কাণ্ডে জড়িয়ে ? পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র? কিন্তু এই ঘটনার মোটিভ কী হতে পারে? ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। সোমবার কাটোয়া স্টেশনে যাবে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল। তারা সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করবে। ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কেউ আগুন লাগিয়েও থাকে, তাহলে কেন ?  তদন্তে নেমেছেন ADRM হাওড়া উদয় কেশরী-সহ ৫ জন বিভাগীয় আধিকারিক।  উত্তরের অপেক্ষায় সকলে।