পূর্ব বর্ধমান: কাটোয়ায় ভস্মীভূত ট্রেনের কামরা, আক্রমণ তৃণমূলের।'বন্দে ভারত ও হাই স্পিড ট্রেন করিডরের সূচনা করেছেন নরেন্দ্র মোদি। বুক বাজিয়েছেন, নিজেই নিজের পিঠ চাপড়েছেন। সাধারণ মানুষের ট্রেনগুলিতে ন্যূনতম নিরাপত্তাও নেই।
আরও পড়ুন, ভোটের মুখে বেকার ভাতার ফর্ম বিলি, চলবে কবে অবধি ?
কাটোয়া আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে কাটোয়া স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড। কত জন ভারতীয়ের বন্দে ভারতে যাত্রা করতে পারার সামর্থ্য আছে? সিংহভাগ মানুষ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে যাতায়াত করেন, তাঁরা বিলাসিতা চান না। ৪ শতাংশেরও কম রেল রুটে 'কবচ' সুরক্ষা রয়েছে', সোশাল মিডিয়ায় পোস্টে আক্রমণ তৃণমূলের। রেল সূত্রে দাবি, কাটোয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রেনে অগ্নি সংযোগের সম্ভাবনা রয়েছে। বাইরের কোনও কারণে অগ্নিকাণ্ড, প্রাথমিক তদন্তের পর অনুমান রেলের।'সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজনের সন্দেহজনক চলাফেরা নজরে এসেছে', শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ড নয়, প্রাথমিক তদন্তের পর দাবি রেল সূত্রে। হাওড়ার ADRM-এর নেতৃত্বে রেলের ৫ আধিকারিক তদন্ত করবেন। তদন্তে হাওড়ার ADRM উদয় কেশরীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের কমিটি।
কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ভয়াবহ আগুন। পুড়ে খাক কাটোয়া-আজিমগঞ্জ ট্রেনের একটি কামরা। ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রেনে অগ্নিসংযোগের সম্ভাবনা বলে প্রাথমিক তদন্তের পর উঠে এল রেল সূত্রে। তদন্তকারীদের নজরে সিসিটিভি ফুটেজে বহিরাগতদের আনাগোনা।দাউদাউ করে জ্বলে ট্রেনের কামরা। জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসে লেলিহান শিখা। তার সঙ্গে কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়া। রবিবার ভোরে এভাবেই আচমকা আগুন ধরে যায়, কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কাটোয়া-আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে। এদিন সকাল ৬ টা ৫-এ কাটোয়া স্টেশন থেকে ছাড়ার কথা ছিল ট্রেনটির।কিন্তু তার ঘণ্টা দেড়েক আগেই ঘটে অগ্নিকাণ্ড। ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ হঠাৎ আগুন লাগে একটি কামরায়। কয়েক মিনিটের মধ্যে বিধ্বংসী আকার নেই আগুন। ভষ্মীভূত হয়ে যায় গোটা কামরা। ভোরবেলা হওয়ায় স্টেশন চত্বর ছিল ফাঁকা। যাত্রীসংখ্যা ছিল কম। ওই সময় কামরায় ছিলেন না কোনও যাত্রী। ফলে এড়ানো গেছে আরও বড় বিপদ। এক যাত্রী বলেন, এসে দেখছি ট্রেনটায় আগুন লেগে গেছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়ে পড়ে রয়েছে এবং পোড়া দুর্গন্ধ। আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে রয়েছি আমরা। যদি আমরা ধরুন ওই ট্রেনটাতে যেতাম, যদি দুর্ঘটনা এরকম ঘটে যেত তাহলে কী অবস্থা হত? কিন্তু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে কীভাবে আগুন লাগল? যান্ত্রিক ত্রুটি? নাকি অন্য কোনও কারণ? ADRM হাওড়া (অ্যাডমিন) উদয় কেশরী-সহ ৫ জন বিভাগীয় আধিকারিক ঘটনার তদন্ত করবেন।