বিশ্বজিৎ দাস, খড়্গপুর: আবারও স্কুলে মৃত্যুফাঁদ। খড়গপুরের একটি স্কুলে ভেঙে পড়ল চাঙড়। স্কুল চলাকালীন খসে পড়ল ক্লাসরুমের চাঙড়। আতঙ্ক ছড়াল খড়গপুর শহরের সাউথ সাইড হিন্দি প্রাইমারি স্কুলে।                         

দোতলা স্কুলবাড়ির ওপর তলার ভগ্নদশা, একতলাতেই হয় ক্লাস। এদিন সকালে ক্লাস চলাকালীন ছাদের চাঙড় ভেঙে বেঞ্চের ওপর পড়ে। পড়ুয়াদের গায়ে পাথর ছিটকে লাগে, অভিযোগ টিচার ইনচার্জের। টিচার ইনচার্জের অবশ্য দাবি, 'কেউ আহত না হলেও আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়াদের মধ্যে। গত এপ্রিল মাসে এই স্কুলেই ক্লাস চলাকালীন ছাদের চাঙড় ভেঙে শিক্ষকের মাথায় পড়ে'।

বিষয়টি প্রশাসনিক কর্তাদের জানানোর পরেও মেরামতির কাজ এখনও শুরু হয়নি, দাবি টিচার ইনচার্জের। এই অবস্থায় কীভাবে স্কুলে পঠন-পাঠন চালাবেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না টিচার ইনচার্জ।  যদিও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।                                  

কিছুদিন আগে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল বসিরহাটে।  ভগ্নপ্রায় স্কুলের দশা। স্কুলের যত্রতত্র ভেঙে পড়ছে স্কুল ছাদের চাঙর। সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় স্কুল ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা । ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমা হাসনাবাদ থানা বিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দুর্গাপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

সূত্রের খবর, স্কুল চলাকালীন কখনও শিক্ষকের মাথার পাশ দিয়ে আবার কখনও পড়ুয়াদের বেঞ্চের পাশেই ভেঙে পড়ছে ছাদের চাঙর। প্রায় ১০০ জন ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করে এখানে। সংস্কারের দাবিতে স্কুলের সামনে স্কুল ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের দাবি, গত কয়েকদিনে যত্রতত্র ভেঙে পড়ছে স্কুল ছাদের চাঙর। বৃষ্টির জল গায়ে পড়ছে পড়ুয়াদের। যদি সংস্কার না হয় তাহলে আমাদের সন্তানদের আর স্কুলে পাঠাব না।

দিনকয়েক আগে উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের রুজিপুর আদর্শ অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়েও এমন একটি ঘটনা। ঘটনার জেরে আতঙ্কিত অভিভাবকরা সন্তানদের আর স্কুলে পাঠাতে চাইছেন না । শুধু তাই নয়, প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কায় ক্লাসের বাকি পরীক্ষাগুলিতে পড়ুয়াদের না বসানোরও মনস্থির করে ফেলেছেন তাঁরা।