কলকাতা: নভেম্বরইকলকাতা পুরসভার ভোট? প্রস্তুতি শুরু এবারবিজেপির। মূলত, পুজোর আগেই ভোট প্রস্তুতিতে জোর দিল পদ্ম শিবির। বিজেপির রাজ্য দফতরে, কলকাতা পুরসভার নির্বাচন নিয়ে, উত্তর ও দক্ষিণ দুই সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্বদের নিয়ে এদিন বৈঠক হয়।পুজোর আগে থেকে কর্মসূচি শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব।ওয়ার্ড বিন্যাস নিয়েও আলোচনা হয়েছে  বৈঠকে এবার। এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিজেপি কর্পোরেশন নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে। প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন,বাড়ছে বিধবা ভাতা-বার্ধক্য ভাতা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, “আগের সরকারের কাছে করা অ্যাপ্লিকেশনগুলি নিইনি”, কারা পাবেন এই 'নতুন ভাতা' ?

Continues below advertisement

এবিপি আনন্দ: কমিটি গঠন হয়েছে কোনও পুরসভা নির্বাচনের জন্য ?

সুকান্ত মজুমদার: নির্বাচন করতে গেলে কমিটি তো অবশ্যই লাগবে। আমরা আরও কমিটি তৈরি করব। নিচের দিকেও কমিটি তৈরি হবে। এই ধরণের তো কোনও অভিযোগ আমরা পাইনি যে, তৃণমূল থেকে বিজেপিতে কেউ ঢুকছে। বিজেপিতে যারা আছে, তারা আছে। পার্টি বাড়তে গেলে নতুন লোক ঢোকে। সময়ের সাথে সাথে নতুন লোক ঢুকবে। তার মানে এই নয় যে, যারা ছিল, তাঁদের গুরুত্ব কমে যাবে, এরকম কোনও বিষয় নয়।

কে কোন দায়িত্ব পেলেন ?

কলকাতা পুরভোটের জন্য দায়িত্বে সুকান্ত মজুমদার কলকাতা পুরভোটে সুকান্তর সহযোগী হিসেবে দায়িত্বে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়আহ্বায়ক হিসেবে তাপস রায়কে দায়িত্ব, সহযোগী রিতেশ তিওয়ারি হাওড়া পুরসভার দায়িত্বে রাহুল সিন্হাহাওড়া পুরভোটে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বে সঞ্জয় কুমার সিং

পুজোর পরই রাজ্যে বাজতে চলেছে পুর-ভোটের বাদ্যি। এবছরের শেষেই হতে চলেছে কলকাতা এবং আট বছর ধরে আটকে থাকা হাওড়া পুরসভার ভোট। ইতিমধ্যেই, বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে পাশ হয়েছে কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা সংক্রান্ত জোড়া সংশোধনী বিল। ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের ফলে কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ড বেড়ে হয়েছে ২০৯।এই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। কেন্দ্রে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী , NCPI, NDA-কে সমর্থন করলেও, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কারও সঙ্গে পুরসভা ভোটে লড়বে না স্পষ্ট করেন শমীক ভট্টাচার্য।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি  শমীক ভট্টাচার্য বলেন, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির কোনও শরিক দল নেই। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি একা লড়ে ক্ষমতায় এসেছে এবং আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি এই যে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন আসছে, একাই লড়বে। এটাই আমাদের দলীয় অবস্থান। NDA-কে একটা দল সমর্থন করেছে। আমার বাড়ির পাশ দিয়ে যদি কেউ যায়, সে যদি তৃষ্ণার্ত থাকে, রোদ থাকে, তো আমি কি বলব না, একটু এসে বসতে। জল খেতে। চা খেতে। এ তো রাজনৈতিক সৌজন্য সব জায়গায় থাকে।