কলকাতা: পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিয়েছে কলকাতা বিমানবন্দর। বিমান পরিষেবাকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে করা হচ্ছে টার্মিনালের সম্প্রসারণ। একইসঙ্গে সোমবার যাত্রী সুবিধা দিবস উপলক্ষে কলকাতা বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য শিবির থেকে অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন, আসল রেজোলিউশন-কপি কোথায়? সই জালিয়াতিকাণ্ডে আজ অভিষেক ও কুণালকে তলব
সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়েছে বিমান পথে যাত্রী পরিবহণ। দেশের অন্য়তম গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।যাত্রীদের ভিড় সামলাতে এবার বাড়তে চলেছে এই বিমানবন্দরের টার্মিনাল। টার্মিনালের সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। জোর দেওয়া হচ্ছে যাত্রী পরিকাঠামোয়।শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে সেকথায় জানায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ডিরেক্টর বিক্রম সিং বলেন, বিমানবন্দরে রানওয়ে টার্মিনাল বাড়ানো হচ্ছে। যাত্রী পরিকাঠামোয় জোর দেওয়া হচ্ছে এরকম অংশই যাবে। সোমবার যাত্রী সুবিধা দিবস। সেই উপলক্ষে কলকাতা বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়।একইসঙ্গে শিশুদের জন্য অঙ্কন প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়।
প্রসঙ্গত, কলকাতা বন্দরের চাপ কমাতে ও বন্দর-বাণিজ্যের গতি বাড়াতে বিশেষ ভাবনা রাজ্যের। বন্দর থেকে হাওড়ার আলমপুর পর্যন্ত তৈরি হতে চলেছে রিভার টানেল। যা মূলত এবার প্রথমবারের জন্য হতে চলেছে ভারতে । গঙ্গার ৩৮ মিটার নীচে থাকা জোড়া টিউব টানেলের দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ৮ কিমি ।গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটছে মেট্রো। আর এরা মেট্রোর পর এবার ছুটবে পণ্যবাহী গাড়ি। ভারতে প্রথম টানেল রোড তৈরি হতে চলেছে হুগলি নদীর নীচ দিয়ে।
হুগলি নদীর তলা দিয়ে ছুটবে গাড়ি, কলকাতা বন্দর থেকে সরাসরি যাওয়া যাবে আলমপুর। বন্দরের চাপ কমাতে ও বাণিজ্যের গতি বাড়াতে বড় উদ্যোগ নেওয়ার পথে এগোচ্ছে প্রশাসন। প্রস্তাবিত এই রিভার টানেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পণ্যবাহী ট্রাককে রাতেও না ছুটবে দিনেও। কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরের চাপ কমাতে এবং বন্দর-বাণিজ্যের গতি বাড়াতে বিশেষ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। কলকাতা বন্দরের সঙ্গে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ককে সরাসরি যুক্ত করার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প অনুযায়ী, কলকাতা বন্দর থেকে হাওড়ার আলমপুর পর্যন্ত হুগলি নদীর নীচ দিয়ে তৈরি হবে টানেল। মোট পথের দৈর্ঘ্য হবে ১৫.৭ কিলোমিটার। যার মধ্যে গঙ্গার নীচে থাকা জোড়া টিউব টানেলের দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ৮ কিমি। প্রশাসনের অনুমান, এই টানেল তৈরি হলে ট্রাফিক জ্যাম কমার পাশাপাশি বাড়বে কলকাতা বন্দরের গুরুত্ব। এরই সঙ্গে বাড়বে শিল্প ও বিনিয়োগের সম্ভাবনাও।
