কলকাতা: কলকাতায় EM বাইপাসের ধারে, তৃণমূল ভবনের থেকে সাইন বোর্ড খুলে ফেলল মালিকপক্ষ। ভবনের ওপরে থাকা বিশাল আকারের গ্লো-সাইন বোর্ড খুলে ফেলে রাখা হয়েছে ভবনের এক পাশে। পরিবর্তে ছোট একটি ফ্লেক্স ঝোলানো হয়েছে বিল্ডিংয়ের গায়ে।                                                                                

Continues below advertisement

মালিক পক্ষের দাবি, তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তির কোনও বৈধতা নেই। 'কাজেই যত দ্রুত সম্ভব এই ভবন ছেড়ে দিতে হবে তৃণমূলকে', মালিকপক্ষের আরও দাবি, রং করা হবে বলেই মূল হোর্ডিং খুলে ফেলা হয়েছে। '২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে মালিকের সঙ্গে', তার আগে ভবন ছাড়ার কোনও প্রশ্নই নেই, আগেই জানিয়েছে তৃণমূল। 

প্রশ্ন ছিল ভোটে ভরাডুবির পর দল খান খান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তাঁর কাছে থাকবে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন। এর মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের মাথার ছাদ নিয়েও টানাটানি। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, দুর্যোগের অশনি সঙ্কেত, তুমুল ঝড়-বৃষ্টি, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাঝেই লাল সতর্কতা এই সব জেলায়

কলকাতায় ইএম বাইপাসের ধারে অস্থায়ী তৃণমূল ভবন ফেরত চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ মালিকপক্ষ। দিল্লিতেও তৃণমূলের অফিস নিয়ে তৈরি হয়েছে সঙ্কট। ২০ রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডের বাড়িটির এতদিন পরিচিতি ছিল দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস হিসেবে আদতে এই বাড়িটি সাংসদ হিসাবে পার্থ ভৌমিককে বরাদ্দ করা হয়েছিল।                    

তিনিই দলকে বাড়িটি পার্টি অফিস হিসাবে ব্য়বহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। পার্থ ভৌমিক এখন বিদ্রোহী সাংসদদের দলে। পার্থ ভৌমিক ইতিমধ্যেই এই বাংলো ছাড়তে চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন।

গতকাল লোকসভার সচিবালয়ের তরফে চিঠি দিয়ে তৃণমূল সাংসদের সরকারি বাসভবন পাল্টে দেওয়া হয়েছে। ২০ রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডের বাংলোর বদলে, তাঁর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে 'হুগলি' টাওয়ারের ৫০১ নম্বর ফ্ল্যাট এর ফলে দিল্লিতে তৃণমূলের এই পার্টি অফিস হাতছাড়া হওয়া এখন কার্যত নিশ্চিত।