সন্দীপ সরকার ঐশী মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: তিলজলায় চামড়ার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনায় ২জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। আগুনে ঝলসে কারখানার ২ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে এবং সঙ্কটজনক ৩। চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যালে গুরুতর আহত ৩জন ভর্তি করা হয়েছে।  

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, নিম্নচাপ অক্ষরেখার জের ! আজও ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা ? কী বলছে IMD

Continues below advertisement

তিলজলায় জি প্লাস ফোরের একটি বিল্ডিংয়ে, ডেল্টা নামের একটি লেদার কোম্পানি ছিল। এই বিল্ডিলের দোতালায় আগুন লাগে। পৌনে দুটোর সময় আগুন লাগে বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। তার পরবর্তী সময়ে দুটি ইঞ্জিন এসে পৌঁছয়। দমকর্মীদের তৎপরতায় ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নেভানো সম্ভব হয়। ৫জনকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নিকটবর্তী হাসপাতাল চিত্তরঞ্জনে নিয়ে যাওয়া হলে, দুইজনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে এমনটাই জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসেছেন পুলিশ অফিসারেরা।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, দুদিকে গেট আছে, গেটের মুখে। এবার বেরোবার মতো পজিশন ছিল না। দুখানা দরজার পাশেই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। শেষ অবধি পাওয়া খবরে, যে তিনজন সঙ্কট অবস্থায় রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে মহম্মদ ইউসুফ এবং গৌর সর্দার, একজনের বাড়ি হাড়োয়াতে, একজনের বাড়ি পার্কসার্কাস সংলগ্ন এলাকাতে। এই গৌর সর্দার এবং মহম্মদ ইউসুফকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। মূলত চিকিৎসকেরা যেটা বলছেন, অত্যাধিক পরিমাণে ধোঁয়া শ্বাসনালী ও ফুসফুসে ঢুকে যাওয়ায়, তাঁদের শারীরিক অবস্থার অত্যন্ত অবনতী হয়েছে। এরপরেই তাঁদেরকে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট সিস্টেমে দিতে হয়েছে। পঞ্চমজন মহম্মদ তনভীর তাঁকে জেনারেল ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তবে তিনিও ওই ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তাঁকে বার্ণ ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা চালানো হচ্ছে। এই তিনজনের শারীরিক অবস্থাই বিপদমুক্ত নয় বলেই দাবি চিকিৎসকদের। 

যেখানে ঘটনাটা ঘটেছে, সেখানে তখন লাঞ্চের সময় চলছিল সেইসময়, সেই টিফিন টাইমে যারা খেতে বেরিয়েছিলেন, তাঁদের বয়ান অনুযায়ী তাঁরা এসে দেখতে পান যে, এই কারখানার ভিতরে আগুন জ্বলছে।প্রবেশ ও বাহিরের দুটি পথই বন্ধ ছিল। সেই অবস্থায় অন্যান্য কর্মীদের সূত্রে, এবং দমকল বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই পাঁচ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে শৌচাগার থেকে। অর্থাৎ প্রাণ বাঁচাতে তাঁরা শৌচাগারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের পরে বের করা হয়।