অরিত্রিক ভট্টাচার্য, কলকাতা : মেট্রোয় ফের আত্মহত্যার চেষ্টা। মহাত্মা গান্ধীর রোড অর্থাৎ এম জি রোড স্টেশনের ডাউন লাইনে ঘটেছে দুর্ঘটনাটি। সোমবার সকাল ১১টা ৩৫ মিনিট নাগাদ এম জি রোড মেট্রো স্টেশনের ডাউন লাইনে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন একজন। স্বভাবতই মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। ওই ব্যক্তিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। দমদম থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং ময়দান থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম - এই স্টেশনগুলির মধ্যে আপ ও ডাউন লাইনে চলাচল করছে মেট্রো। সোমবার সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন এভাবে মেট্রো পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় স্বভাবতই হয়রানির শিকার হয়েছেন যাত্রীরা। চূড়ান্ত দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়েছে। আপাতত উদ্ধারকাজ চলছে বলে খবর। ২ দিনের মাথায় ফের একবার ব্যাহত হল ব্লু লাইনের মেট্রো পরিষেবা। গত শনিবারই কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন একজন। বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়েছিল মেট্রো পরিষেবা। ভোগান্তিতে পড়েছিলেন যাত্রীর। 

Continues below advertisement

বারবার মেট্রোয় আত্মহত্যার চেষ্টা, কবে টনক নড়বে মেট্রো কর্তৃপক্ষের 

মেট্রো স্টেশনে ঢুকে লাইনে ঝঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন ঘটনা নয়। এর আগেও বহুবার এমন ঘটনা ঘটেছে। আর তার জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন নিত্যযাত্রীরা। কিন্তু তারপরেও সমস্যা কমেনি। স্বভাবতই মেট্রো কর্তৃপক্ষের উপর এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ নিত্যযাত্রীদের একটা বড় অংশ। কারণ অফিস টাইমে মেট্রো পরিষেবা ব্যাহত থাকলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরাই। আর মাঝে মাঝে এভাবে হয়রানি হয় তাঁদের। ফলত মেট্রো কর্তৃপক্ষ কড়া হাতে এইসব সমস্যা মোকাবিলা করুক, সেটাই চান নিত্যযাত্রীরা। 

Continues below advertisement

গত শনিবার কী ঘটেছিল কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে 

শনিবার দুপুর ১টা ৬ মিনিট নাগাদ কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বরগামী মেট্রোর লাইনে আচমকাই একটি চলন্ত মেট্রোর সামনে ঝাঁপ দেন এক ব্যক্তি। এই ঘটনা দেখতে পেয়েই ট্রেন থামিয়ে দেন চালক। সাময়িক ভাবে পরিষেবা বন্ধ করা হয়। টালিগঞ্জ থেকে ময়দানের মধ্যে মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। যদিও ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত, ২ দিনের অর্থাৎ আপ এবং ডাউনে চলাচল করছিল মেট্রো। অন্যদিকে, টালিগঞ্জ থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্তও আপ এবং ডাউন লাইনে চালু ছিল মেট্রো পরিষেবা। 

কখনও মেট্রোর যান্ত্রিক ত্রুটি, কখনও রেকে সমস্যা, কখনও বা যাত্রীদের আত্মহত্যার চেষ্টা - প্রায়শই এইসব ঘটনা দেখা যায় কলকাতা মেট্রোয়। অনেকক্ষেত্রেই ব্যস্ত সময়, অফিস টাইমের ভিড় যখন প্রবল থাকে, তখন দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকে পরিষেবা। ফলে চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হন যাত্রীরা।