কলকাতা: বিরাটি স্টেশন ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম লাগোয়া দোকানে বিধ্বংসী আগুন। স্টেশন সংলগ্ন ৩টি বইয়ের দোকানে আগুন, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে। শিয়ালদা-বনগাঁ শাখায় ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ভোটে প্রার্থী পদ পাইয়ে দেওয়ার নামে "প্রতারণা" ! ২৬-র আগে কার বিরুদ্ধে এই বিস্ফোরক অভিযোগ ?

Continues below advertisement

সাম্প্রতিককালের মধ্যে সবথেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে আনন্দপুরে। নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডের ৯ দিনের মাথায়, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ৩ জনের একটি প্রতিনিধি দল। পুলিশের সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলেন তাঁরা। এদিকে, এদিনই ঘটনাস্থলে আসেন অধীর চৌধুরী। পূর্ব মেদিনীপুরে নিখোঁজ ডেকরেটর্স কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন শুভঙ্কর সরকার।   প্রদেশ কংগ্রেস প্রাক্তন সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, আগুনে এত লোক মারা গেল, আসা উচিত ছিল এখানে। তা নয়। সেখানে দিল্লিতে গিয়ে নাটক করছে। SIR নিয়ে। কালো পোশাক পরে এখানে আসা উচিত ছিল। চূড়ান্ত অপদার্থ সরকার। 

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, আমরা সরকারের কাছে বলেছি, যারা মারা গেছে, ২৫ লক্ষ টাকা, বাড়ির ১ জনের সরকারি চাকরি। যারা অসুস্থ আছে, তাদের পুরো চিকিৎসার ব্য়াপার। তারা তো আর ওখানে কাজ পাবে না, তাদেরও এককালীন সাহায্য় করতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা সাহায্য় ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, পরিবারের একজনের সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন গোডাউন কর্মীদের বাড়ির লোকেরাই। গোডাউন কর্মী শশাঙ্ক জানার আত্মীয়   গৌতমকুমার জানা বলেন, এখন স্থায়ী দেবে, কি অস্থায়ী দেবে, সেটা আমরা কিছুই জানি না। মুখ্য়মন্ত্রী করেছেন। ১০ লক্ষ টাকায় তো আর আজকাল সমাজের যা পরিস্থিতি, ১০ লক্ষ টাকায় সারাজীবন চলে? চাকরিটা দিক। সেটা যেন পার্মানেন্ট চাকরি হয়। অস্থায়ী পদ হলে, আর কী আছে! ৮-১০ হাজার টাকা বেতন হবে। আমরা চাইছি, যাতে স্থায়ী চাকরি হয়। 

সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। গভীর রাতে আগুন, ভস্মীভূত একাধিক দোকান। লক্ষ্মীকান্তপুর বাজারের একাংশ দাউদাউ করে জ্বলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একাংশের দাবি, একটি দোকানে থাকা রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকেই এই অগ্নিকাণ্ড। নিমেষের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানগুলিতে। দমকলের ২টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নেভানো হয়। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।