পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা : বিধানসভায় সই জালিয়াতিকাণ্ডে ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে CID. ১ ঘণ্টা ধরে কলকাতা বন্দরের তৃণমূল বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ। তৃণমূলের প্রস্তাবে ফিরহাদকে মুখ্য সচেতক করা হয়েছিল, সেই সময় সেখানে কি তিনি উপস্থিত ছিলেন ? বিধানসভায় জমা দেওয়া প্রস্তাবে সই কি তাঁর ? ফিরহাদ হাকিমকে প্রশ্ন সিআইডি- র। যে তৃণমূল বিধায়করা বলেছিলেন সই তাঁদের নয়, সেই ব্যাপারে কি জানেন ফিরহাদ ? প্রশ্ন সিআইডির। বিধানসভায় সই জালিয়াতিকাণ্ডে সোমবার অভিষেককে তলব করা হয়েছে সিআইডি- র তরফে। তার আগে ফিরহাদের বাড়িতে পৌঁছল সিআইডি টিম। ১৩ জন তৃণমূল বিধায়কের সই নকলের অভিযোগ উঠেছে। সই জালিয়াতি নিয়ে তৃণমূলেরই ২ বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা অভিযোগ জানান বিধানসভার স্পিকারকে। সই জালিয়াতিকাণ্ডে ৩ জন তৃণমূল বিধায়ককে আদালতে ডেকে হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সিআইডি আধিকারিকদের উপস্থিতিতে অরূপ রায়, বাহারুল ইসলাম ও শুভাশিস দাসের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। 

Continues below advertisement

'অরূপ বিশ্বাস, জুঁই বিশ্বাস, স্বরূপ বিশ্বাস... সবকটা চোর', স্বরূপ গ্রেফতার হতেই নিউ আলিপুর থানার সামনে আমজনতার ক্ষোভের বিস্ফোরণ 

Continues below advertisement

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে পৌঁছয় সিআইডি- র টিম। সই জালিয়াতিকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সিআইডি- র টিম গিয়েছিল ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে।

অন্যদিকে, ফিরহাদ হাকিম 'মেয়র পদে ইস্তফা দিয়েছেন' এমন একটি কথাও সম্প্রতি শোনা গিয়েছে। বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেছেন, 'কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বারবার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। সর্বশেষ দিন আমিও ছিলাম। কথা হয়। তিনি বলেন কাজ করা যাচ্ছে না এবং আজকে নবান্নের যে প্রশাসনিক সভা সেখানেও যে আলোচনা হয়েছে তাতেও বলা হয়েছে যে কলকাতা পুরসভা অকার্যকর হয়ে রয়েছে। কমিশনার এমএলএ- দের পরামর্শ নিয়ে কাজ করবে। অন্যদিকে, ফিরহাদ হাকিম তিনি চাইছেন স্বসম্মানে ইস্তফা দিতে। সবদিক বিবেচনা করে যখন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, আমাদের সুপ্রিম দলনেত্রীকে বলেছেন যে, তিনি স্বসম্মানে বেরোতে চান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারণও করেন, কিন্তু তিনি বলেন যে কাজ করা যাচ্ছে না, তাহলে এখানে থেকে লাভ কী? ফলে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের সর্বোচ্চ নেত্রী সবদিক বিবেচনা করে ফিরহাদ হাকিমের সম্মান রক্ষা, কোনও অমর্যাদা যাতে না হয় এবং পুরসভাকে যে নিষ্ক্রিয় করে কমিশনারকে দিয়ে চালানোর চেষ্টা চলছে, এর প্রেক্ষিতে তাঁকে মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।'