কলকাতা: একসঙ্গে পার্ক ইনস্টিটিউশন ফর গার্লসের কয়েকজন ছাত্রী অসুস্থ। আর জি কর মেডিক্যালের এমার্জেন্সিতে ভর্তি কয়েকজন ছাত্রী। এভাবে একসঙ্গে প্রায় ১৬জন ছাত্রী অসুস্থ? এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে পুরো ঘটনা সম্পর্কে।
সূত্রের খবর, আজ দুপুরে দেড়টা নাগাদ মিড ডে মিল দেওয়া হয়েছিল। যাঁরা মূলত আবাসিক হোটেলে থাকেন, তাঁদের মধ্যে প্রায় ১৫-১৬ জন শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করে। তাঁদের মধ্যে শ্বাসকষ্টের সমস্যা চলছিল। কারাও খিচুনির সমস্যা দেখা যায়। সেই সময় দ্রুত সেই ছাত্রীদের আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পার্ক ইনস্টিটিউট ফর গার্লসের আবাসিক যাঁরা থাকেন, তাঁরাই এখানে মিড মিল আহার গ্রহণ করে। মিড ডে মিলের উদ্যোক্তাদের বক্তব্য যদি মিড ডে মিল থেকেই ফুড পয়েজনিংয়ের ঘটনা ঘটে, তাহলে তো আরও অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।
এদিকে, এই ইস্যুতে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় বলছেন, 'আমি দেখে এসেছি বাচ্চাদের। অভিভাবিকাদের সঙ্গে কথা বলে এলাম। বাচ্চাদের সঙ্গেও কথা বলেছি। পুলিশ ও চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেছি। এখন সবাই বিপদসীমার বাইরে রয়েছে। মোট ২৪ জন ভর্তি হয়েছে। তবে এখন এমার্জেন্সি থেকে নর্মাল ওয়ার্ডেও নেওয়া হচ্ছে। তবে কোনও চিন্তার কিছু নেই। মিড ডে মিল থেকে কিছু হয়েছে কি না এখনই বোঝা যাচ্ছে না। তবে ওরা আলাদা আলাদা বিভিন্নরমকের খাওয়ার খেয়েছে। তাই ঠিক কেন এমনটা হল এখনই বলা সম্ভব নয়।'
এর আগে গত মাসেই মিড ডে মিল নিয়ে অভিযোগ শোনা গিয়েছিল মালদায়। সেখানে মিড-ডে মিলে গরমিলের অভিযোগে স্কুলে ছুটে এসেছিলেন অভিভাবকরা। স্কুলের শিক্ষিকারাও একই অভিযোগে প্রশাসনে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে উঠে আসে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ। মালদা গার্লস জুনিয়র বেসিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বুলু সরকার প্রামাণিককে সাসপেন্ডের নির্দেশিকা জারি করেছিল স্কুল কাউন্সিল। মিড ডে মিলের দায়িত্ব থাকবে ইসকনের হাতেই, কিন্তু তা হলেও, পড়ুয়াদের পাতে থাকবে ডিমও। আলাদা করে তার ব্য়বস্থা করবে রাজ্য় সরকার। এত বছর ধরে মিড ডে মিলে যে ডিম দেওয়া হয়, তা আর চালু থাকবে কি না, তা নিয়ে বিতর্কের মধ্য়েই এ কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ক্ষমতায় আসার পরই মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনকে দিয়েছে নতুন রাজ্য সরকার। কলকাতায় শুরু হয়েছে পাইলট প্রজেক্ট। জেলার অনেক স্কুলের দায়িত্বও ইসকনকেই দেওয়া হয়েছে।
