কলকাতা: কলকাতায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তাঁর এই সফরের কারণে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় বিশেষ ট্রাফিক বিধিনিষেধ জারি করল কলকাতা পুলিশ। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও যান চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আজ, অর্থাৎ ২০ জুন ও আগামিকাল অর্থাৎ, ২১ জুন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: "যারা আপনাদের লুঠ করেছে, আজ তারা নিজেরাই এসে লুঠ করা টাকা ফেরত দিচ্ছে", মোদির মুখে বিকাশের কথা

কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০ জুন বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের আওতাধীন একাধিক রাস্তায় পণ্যবাহী গাড়ির চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। তবে এলপিজি সিলিন্ডারের গাড়ি, সিএনজি, পেট্রোলিয়াম, তেল, লুব্রিক্যান্ট, অক্সিজেন, সবজি, ওষুধ, ফল, মাছ ও দুধের গাড়িকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

Continues below advertisement

এই সময়ে ১১ ফরলঙ গেট, খিদিরপুর রোড, জওহারলাল নেহেরু আইল্যান্ড, ডাফরিন রোড, মেয়ো রোড, নেতাজি স্ট্যাচু, রেড রোড এবং লোক ভবন দক্ষিণ গেট সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে। এছাড়াও ২০ জুন বিকেল ৫টা থেকে ২১ জুন দুপুর ১২টা পর্যন্ত গভর্নমেন্ট প্লেস ইস্ট ও এসপ্ল্যানেড রো ইস্ট ক্রসিং থেকে ওল্ড কোর্ট হাউস স্ট্রিট ও বিবাদী বাগ সাউথ ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার দু'দিকই সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে।

আরও পড়ুন: ইতিহাসকে হোয়াইট ওয়াশ করার চেষ্টা হয়েছে, আগের সরকার পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের ঘাঁটি বানিয়েছে: নরেন্দ্র মোদি

একই সঙ্গে ২০ জুন বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত লোক ভবনের আশপাশে সমস্ত ভারী পণ্যবাহী গাড়ির চলাচল বন্ধ থাকবে। ২১ জুন রাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্তও নির্দিষ্ট এলাকায় পণ্যবাহী গাড়ির চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে অথবা নরেন্দ্র মোদির এই সফর শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়ম কার্যকর থাকবে।

কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের কর্মসূচি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে শহরের বিভিন্ন প্রধান রাস্তা ও সংযোগকারী রাস্তা থেকে যানবাহন ঘুরিয়ে দেওয়া হতে পারে। যানজট এড়াতে ওই সময়ে সাধারণ মানুষকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এই বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশিকা ওই দিনের স্বাভাবিক ট্রাফিক নিয়মের পাশাপাশি কার্যকর থাকবে। ফলে যে কোনও সময় শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যেতে চাইলে আগে ট্রাফিক সংক্রান্ত আপডেট দেখে নিয়ে তারপর বেরোনোর কথা বলা হয়েছে ওই ট্রাফিক নির্দেশিকায়।