টিটাগড়: টিটাগড়ের (Titagarh News) রাস্তা দখল করে ইমারতি দ্রব্য। বেজায় চটলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী (Koustav Bagchi)। নির্মাণকারীকে ডেকে হুঁশিয়ারি। টিটাগড় পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মহাত্মা গান্ধী রোডে রাস্তার পাশে ইমরাতি দ্রব্য ফেলে রেখে তৈরি হচ্ছে বহুতল। সমস্যা হচ্ছে পথচারীদের। ঘটছে দুর্ঘটনা। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করলেন বিধায়ক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এল টিটাগড় থানার পুলিশ। ইমারতি দ্রব্য না সরালে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক।

Continues below advertisement

কৌস্তভের অভিযোগ সকালে এসে এক প্রাইভেট নির্মাণের বিভিন্ন দ্রব্য রাস্তায় পড়া দেখে তিনি সরাতে বললেও, তা সরানো হয়নি। এরপরেই তিনি চটে যান এবং দ্রুত তা সরানো না হলে আইনি পথে হাঁটারও হঁশিয়ারি দেন। ব্যারাকপুরের বিধায়ককে বলতে শোনা যায়, 'আমার কাছে বহু মানুষের এই বিষয়গুলো অভিযোগ করছেন। পৌরসভাকে আমি সকালে এসে রাস্তায় ময়লার ঢিপি এক ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কার করতে বলেছিলাম, ওরা করে দিয়েছে। তবে তার ঠিক উল্টো দিকে একটা জায়গায় কনস্ট্রাকশনের চলছে। প্রাইভেট কনস্ট্রাকশন হচ্ছে, সেখানে রাস্তার মধ্যে ইট, বালি, সিমেন্ট মাখছে সেখানে স্টোনচিপের ঢিপি হয়ে আছে আমি তাদেরকে বলেছিলাম এক ঘন্টার মধ্যে সবটা পরিষ্কার করতে। তাও এখনও একইভাবে কাজ করছে। আমি প্রশাসনকে বলেছি ইমিডিয়েট ব্যবস্থা নিতে। এক ঘন্টার মধ্যে না নিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে।'

আরও পড়ুন:- বিরল রোগে আক্রান্ত ৫ মাসের শিশুর চিকিৎসার খরচ ১৭ কোটি! জনতার দরবারে পরিবার, আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী

Continues below advertisement

তিনি আরও যোগ করেন, 'তাদেরকে ঠিকভাবে সঠিকজায়গায় মাল রাখতে হবে। রাস্তায় রেখে কাজ করতে হলে একদিকে সাইড করে রাখুক। পাবলিকের যাতে স্মুথ প্যাসেজে যেন কোন অসুবিধা না হয়। সাধারণ মানুষের অসুবিধা হলে এটা আমরা মানবো না, সে যেই করুক না কেন।'

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবে আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকদিন বাকি। এই পুজোতে ব্যারাকপুরবাসীদের জন্য মাস দু'য়েক আগেই বড় ঘোষণা করেছিলেন কৌস্তভ বাগচী। দুর্গাপুজোর চারদিন স্পেশাল 'MLA ক্যান্টিন' চালানো হবে বলে জানিয়েছিলেন কৌস্তভ বাগচী। তিনি বলেছিলেন, 'ব্যারাকপুরে দুর্গাপুজোর চার দিন এই পরিষেবা পাবেন গরিব মানুষজন। যারা সমাজের খুব প্রান্তিক মানুষজন, তাঁদের উদ্দেশেই এই ক্যান্টিন চালাব।' তবে আপাতত পুজোর চারদিনই এই পরিষেবা দেওয়ার কথা জানানো হলেও, অদূর ভবিষ্যতে সারা বছরই যে এই পরিষেবা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে, সে বিষয়টিও স্পষ্ট করে দিয়ে কৌস্তভকে বলতে শোনা যায়, 'আমাদের ভবিষ্যতে এই পরিকল্পনাও আছে আমরা ৩৬৫ দিন এই ক্যান্টিন চালাব।'