কলকাতা : পুরভোটের আগে কুণাল ঘোষ ও সন্দীপন সাহার মধ্যে দীর্ঘ কথাবার্তা হল। বিধানসভায় প্রায় আধ ঘণ্টা কথোপকথন চলে উভয়ের মধ্যে। যদিও বিজয়ার পর এটা সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে দাবি করেছেন দুই বিধায়ক। Kunal Ghosh
সামনেই পুরভোট। ঠিক তার আগে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সন্দীপন সাহা ও মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের কুণাল ঘোষের একান্তে আলাপচারিতা নিয়ে নতুন জল্পনা তৈরি হল।
একসময় সতীর্থ। তবে আজ দু'জন দুই তৃণমূলে। একজন বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পরই, বিদ্রোহ ঘোষণা করে আলাদা শিবির তৈরি করেছেন। অন্যজন এখনও রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। প্রায় প্রত্যেকদিনই একে অন্যের শিবিরকে আক্রমণ করেন। কিন্তু, মঙ্গলবার আচমকা বিধানসভায় দু'জনকে এক জায়গায় দেখা গেল। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে কথা হল মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবং গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সন্দীপন সাহার মধ্যে। আর এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।
নভেম্বরের শেষ দিকে পুরভোট হওয়ার সম্ভাবনা। কাদের মধ্যে জোট হবে...কারা শেষমেশ কোন দলের হয়ে টিকিট পাবেন ? তা নিয়ে প্রত্যেকদিন চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সন্দীপন সাহা ও কুণাল ঘোষের একান্ত সাক্ষাৎ কি নতুন কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত দিল ? দু'জনই অবশ্য এই সাক্ষাৎকে বিজয়ার পর নিছক সৌজন্য বলেই দাবি করলেন।
এ প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ বলছেন, "যেহেতু পুজোর ছুটির পর বিধানসভা খুলেছে এবং স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং ছিল, সেই কারণে এসেছিলাম। অনেকের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আপনি যার কথা বলছেন, তাঁর সঙ্গেও দেখা হয়েছে। দেখা হয়েছে...আমরা দু'জন বিধায়ক...পাশাপাশি কেন্দ্রের বিধায়ক, পুজোর পর দেখা হয়েছে, ওঁর সঙ্গে আমার পুরনো সম্পর্ক...বিজয়া-সৌজন্য এসব হল। দু'জন বিধায়ক, পাশাপাশি কেন্দ্রের বিধায়ক, তাঁরা দেখা হলে রাজনীতির কথা হবে না ?"
অন্যদিকে, সন্দীপন সাহা বলেন, "বেলেঘাটা ঠিক আমার পাশের বিধানসভা। তাঁর (কুণাল ঘোষ) সঙ্গে দেখা হল, বিজয়ার পরে দেখা হল। এবার বিজয়ার পরে, এটা তো আমাদের বাঙালিদের দীর্ঘদিনের প্রথা। দেখা হলে বিজয়ার পরে আমরা সকলেই বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করি। সেই সৌজন্য় আমিও তাঁর ( কুণাল ঘোষ ) প্রতি দেখালাম, তিনিও ( কুণাল ঘোষ ) আমার প্রতি দেখালেন। ব্য়স এইটুকুই। ++ আপনারা এরমধ্য়ে রাজনীতি দেখতে চাইলে দেখতে পারেন কিন্তু রাজনৈতিক কোনও বিষয় নয়। পুরোটাই সৌজন্য়মূলক।"
