অনির্বাণ বিশ্বাস, কলকাতা : 'মেয়র পদ ছাড়তে ফিরহাদকে সম্মতি মমতার। অনেকদিন ধরেই অনুমতি চাইছিলেন ববি। বলছিলেন পুরসভায় কাজ করা যাচ্ছে না', মমতার বাড়িতে বৈঠকের পরে দাবি কুণাল ঘোষের। 

Continues below advertisement

বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেছেন, 'কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বারবার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। সর্বশেষ দিন আমিও ছিলাম। কথা হয়। তিনি বলেন কাজ করা যাচ্ছে না এবং আজকে নবান্নের যে প্রশাসনিক সভা সেখানেও যে আলোচনা হয়েছে তাতেও বলা হয়েছে যে কলকাতা পুরসভা অকার্যকর হয়ে রয়েছে। কমিশনার এমএলএ- দের পরামর্শ নিয়ে কাজ করবে। অন্যদিকে, ফিরহাদ হাকিম তিনি চাইছেন স্বসম্মানে ইস্তফা দিতে। সবদিক বিবেচনা করে যখন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, আমাদের সুপ্রিম দলনেত্রীকে বলেছেন যে, তিনি স্বসম্মানে বেরোতে চান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারণও করেন, কিন্তু তিনি বলেন যে কাজ করা যাচ্ছে না, তাহলে এখানে থেকে লাভ কী? ফলে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের সর্বোচ্চ নেত্রী সবদিক বিবেচনা করে ফিরহাদ হাকিমের সম্মান রক্ষা, কোনও অমর্যাদা যাতে না হয় এবং পুরসভাকে যে নিষ্ক্রিয় করে কমিশনারকে দিয়ে চালানোর চেষ্টা চলছে, এর প্রেক্ষিতে তাঁকে মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।' 

'অষ্টাদশ বিধানসভার সঙ্গে অভিষেকের কোনও সম্পর্ক নেই', বিরোধী দলনেতা হয়ে বললেন ঋতব্রত 

Continues below advertisement

আজ নবান্ন সভাঘরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। এরপর কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির বৈঠকেও যান তিনি। 'আমি মেয়র পদে ইস্তফা দিইনি', ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন ফিরহাদ, সূত্রের খবর। এখনও পুর চেয়ারপার্সনের কাছে মেয়রের কোনও পদত্যাগপত্র জমা পড়েনি, পুরসভা সূত্রে খবর। কুণাল ঘোষের মন্তব্যের একাংশ মেনে নিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, এমনটাই খবর সূত্রের। ঘনিষ্ঠ মহলে ফিরহাদ হাকিম এও বলেছেন বলে সূত্রের খবর যে, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে তাঁকে বিরত থাকতেও বলেন আপাতত। তবে ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বা পদত্যাগ করতে চলেছেন - এমন কোনও সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানাননি, এমনটাই খবর সূত্রের। এর পাশাপাশি সূত্রের খবর, ঘনিষ্ঠ মহলে ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন যে, তিনি পদত্যাগ করতে চলেছেন বা পদত্যাগ করবেন এমন কোনও সিদ্ধান্ত আপাতত নেননি।