সুনীত হালদার, হাওড়া : শালিমার স্টেশনে সকাল সকাল বিপত্তি। ব্যস্ত অফিস টাইম । শয়ে শয়ে মানুষের যাতায়াত । আর সেই সময়ই বেলাইন হয়ে গেল লোকাল ট্রেন!স্টেশনে ঢোকার মুখেই বেলাইন হয়ে গেল  লোকাল ট্রেন। অফিস টাইমে ট্রেনটি বিরাট বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়তে পারত। অল্পের জন্য রক্ষা পায় ট্রেনটি।

Continues below advertisement

কেন বেলাইন লোকাল ট্রেন?                 ঘড়িতে তখন পৌনে এগারোটা। সাঁতরাগাছি থেকে শালিমার আসছিল ট্রেনটি।  তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মে ঢ়োকার মুখে পিছন দিক থেকে তিন নম্বর কামরাটি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। স্টেশনে ঢোকার মুখে ট্রেনের গতি ছিল কম। এরপর ট্রেনটি ঘষতে ঘষতে এগোতে থাকে ও স্টেশনে ঢোকে। ট্রেনের গতি কম থাকার জন্যই কোন বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে ট্রেনের ধাক্কায় ভাঙল প্ল্যাটফর্মের একাংশ। 

বড় ক্ষতি এড়ানো গেছে                                  ঘটনাস্থলে রয়েছেন রেলের ইঞ্জিনিয়াররা। রেল সূত্রে দাবি করা হয়েছে,  দুর্ঘটনার সময় ট্রেনে যাত্রী না থাকায় বড় ক্ষতি এড়ানো গেছে। কীভাবে ওই ঘটনা, খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ওমপ্রকাশ চরণ জানিয়েছেন, একটি কামরা বেলাইন হয়ে যায়। কীভাবে এই ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ওই ট্রেনে কোনও যাত্রী ছিল না।

Continues below advertisement

 হাল আমলে ট্রেনে বিপত্তি                          এর আগে গত রবিবার কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কাটোয়া-আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে আগুন লেগে যায়। পুড়ে খাক কাটোয়া-আজিমগঞ্জ ট্রেনের একটি কামরা। সেক্ষেত্রেও ট্রেনে কোনও যাত্রী না থাকায় বরাত জোরে বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। রেল সূত্রে দাবি, ট্রেন 'শাটডাউন' অবস্থায় থাকাকালীন শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা নেই। সিসিটিভি ফুটেজে কাদের দেখা গেছে সে বিষয়ে অবশ্য এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি রেলের তরফে। এছাড়া মঙ্গলবার মধ্যরাতে বালি হল্ট স্টেশনে আগুন। রাত ১২টা নাগাদ বালি হল্ট স্টেশনে একটি বন্ধ স্টেশনারি দোকানে আগুন লাগে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় RPF ও GRP. কিছুক্ষণের মধ্যেই ভস্মীভূত হয়ে যায় পুরো দোকান। দমকলের ২টি ইঞ্জিনের ১ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভানো হয়। প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই দোকানে আগুন লাগে।