কলকাতা: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED দফতরে মদন মিত্র (Madan Mitra)। এর আগে ১৪ জুলাই মদন মিত্রর স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে ED নোটিস পাঠায়। পরদিনই শিবির বদলে 'ঋতব্রত-তৃণমূল'-এ চলে যান কামারহাটির বিধায়ক। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কিন্তু আগেই হাজিরা দিয়েছে মদন মিত্রের গোটা পরিবার।

Continues below advertisement

আজ পুর নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় দুপুর ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে মদন মিত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ডাকা হয়েছিল। সিজিও কমপ্লেক্সে আজ দুপুর ১২টা বেজে ১৫ মিনিটে লিফটে করে উঠে যান। কামারহাটি পৌরসভায় সুপারিশের মাধ্যমে যেভাবে নিয়োগ করা হয়েছে, সেই বিষয়েই মদন মিত্রকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। 

এই মামলায় অতীতে তৃণমূল সরকারের আমলে দমকলমন্ত্রী থাকা সুজিত বসুকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তবে এদিন হাজিরার সময় মদন মিত্রর চোখে মুখে কিন্তু উদ্বেগ একেবারেই ধরা পড়েনি। বরং তিনি যথাসম্ভব সহযোগিতা করারই আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি যে কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন, সেটিও ফের একবার জোর গলায় জানিয়ে দেন মদন মিত্র।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন:- বাঁকুড়ায় রহস্যমৃত্যু নাবালিকার, তথ্যপ্রমাণ লোপাট সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা 

সিজিও কমপ্লেক্সের ভিতরে প্রবেশের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মদন মিত্রকে বলতে শোনা যায়, 'আমি কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই। যা বলার ইডি আমায় ডেকেছে, আমি উত্তর দেব। এখন ব্যাপারটা হচ্ছে যে ওরা কী জিজ্ঞেস করবেন সেটা তো আমি জানি না। ওরা যা আমায় বলবেন আমি সহযোগিতা করব।' তাঁর স্ত্রী ও দুই পুত্রকে অতীতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল, সেই প্রসঙ্গে মদন মিত্রের মত, 'অফিসিয়াল এজেন্সি যাকে মনে করবে, ডাকতেই পারে। আমরা তো সহযোগিতা করার জন্য আছিই।'      

ইডি সূত্রের খবর এই দিন মদন মিত্রকে বেশ কিছু নথি নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে আসতে বলা হয়েছিল এবং সেই মতোই তিনি এসেছেন। তার পরিবারের তিনটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তার মধ্যে দুইটি অ্যাকাউন্টে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে বেশ কিছু আর্থিক লেনদেন হয়েছে, যা নিয়ে তদন্তকারীরা জানতে চান। এই বিষয়ে তাঁর স্ত্রী ও দুই পুত্রকে এর আগে প্রশ্ন করা হয়েছিল। এবার দেখার বিষয় তদন্তকারীরা এই জিজ্ঞাসাবাদ কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যান।