অর্ণব মুখোপাধ্যায়, মালদা: মালদা সফরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিক এবং জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে করবেন বৈঠক। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির বিরোধী সাংসদ থেকে বিধায়ক।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, "নন্দীগ্রামের মতো গুলি না চালিয়েও..",শিল্প নিয়ে বড় বার্তা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

Continues below advertisement

উন্নয়নের স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে, একসুর তৃণমূল বিধায়কদের। মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে এসে পৌঁছলেন সাগরদিঘির তৃণমূল বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। এসেছেন ডোমকলের সিপিএম বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান। বিরোধী বিধায়কদের মুখে শোনা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশংসা। এদিকে অন্যদিকে,  অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়করা।

সই জাল কাণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিকবার তলব করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনবার নোটিসের পর গতকাল হাজিরা দেন তিনি। এই প্রসঙ্গে এই বিধায়কদের মধ্যে এই সুরও শোনা গিয়েছে, যিনি এই জাল করেছেন, সেক্ষেত্রে সঠিক বিচার হবে। 

প্রশ্ন : কী বলবেন , আজকে তৃণমূলের বিধায়ক আসছেন, যারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। উন্নয়নের বৈঠক (   প্রশাসনিক বৈঠক) কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে, একটা রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে…

 খগেন মুর্মূ: তৃণমূল কংগ্রেস তো অনেকদিন আগেই চলে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে মানুষ পুরোপুরি বিদায় দিয়েছে। বিসর্জনও দিয়েছে মানুষ। সুতরাং তৃণমূল এখন টুকটুক করছে। এখন মমতা ও অভিষেক , তাঁরা এখন কোথায় যাবেন, কখনও তারা ভাবছেন যে একবার বাংলাদেশ যাই। একবার ভাবছে যে একবার এখানে যাই, কংগ্রেসের পা ধরি। ২০১১ সালে যা করেছিলেন, যেভাবে কংগ্রেসে একবার ভুল করেছে, আবার যদি এই কংগ্রেস যদি তৃণমূল কংগ্রেস নেয়, তাহলে তো যা হবে, তা ওদের ব্যপার। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেস যেটা সর্বনাশ করেছে মানুষের, এখন মানুষ ঠিক করে রেখেছে, তৃণমূল কংগ্রেসকে আর না। 

সুজাপুরের তৃণমূল বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, সবাইকে ডেকেছেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী এবং উনি মালদার মাটিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার এসেছেন। ওনাকে আমরা আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই। এবং স্বাগত জানাই। আমরা মালদার উন্নয়ন চাই। ওনার কাছে এক্সপেক্ট করব, যে আমরা ও ওরা না করে দিয়ে, উনি সবাইকে নিয়ে চলুক। আমরাও সহযোগিতা করব। 

সাগরদিঘির তৃণমূল বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস বলেন, যখন তৃণমূলের সরকার ছিল, তখন আমার কিছু প্রয়োজন ছিল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেছিলাম, মালদায় কী কী লাগবে।