কলকাতা : SIR ইস্যুতে নিত্যদিন চড়ছে রাজ্যের রাজনৈতিক পারদ। প্রতিনিয়ত নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল। প্রশ্ন তুলেছে অনেকের ভূমিকা নিয়ে। ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে এনিয়ে বারবার সরব হচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী। এদিন ফের সরব হলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আজ গণতন্ত্রকে ফায়ার করার জন্য এক তো NRC, এক তো স্যার (SIR), আর একটা হচ্ছে ক্যা (CAA)। সঙ্গে আছে সিবিআই, ইডি, এমনকী আর্মি হেড কোয়র্টার...আই অ্যাম সরি টু সে...আই হ্যাভ গ্রেট রিগার্ডস ফর দেম। কোথাও কোথাও সেখানেও পার্টি অফিস বানিয়েছে। তাই আমাদের মঞ্চ ভেঙে দিতে গিয়েছিল। কখনো কিন্তু ওরা একাজ করে না। তারা চিরকাল নিরপেক্ষ থাকে। একপক্ষ হয়ে গেছে এখন সবাই। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলো। রেলের কাউকে বলুন...ও বাবা সে ভোটের ডেকেছে ...যাচ্ছেই না ভয়ে। যদি ট্রান্সফার করে দেয়। চাকরিটা আমিই দিয়েছিলাম। সেটাও আমি জানি। যারা আজ এগুলো করছেন, রেকর্ড কিন্তু থেকে যাচ্ছেন। আজ বিজেপি থাকবে, আপনি ট্রান্সফার হবেন না। কাল বিজেপি চলে যাবে আপনি তখন কোথায় যাবেন ? তখন তো আমি আপনাকে ফার্স্ট ট্রান্সফার করব।" 

Continues below advertisement

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। মেট্রো চ্যানেলের ধর্না-মঞ্চ থেকে গত পরশু নাম না করে দু'জনকেই আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করেন। তৃণমূলনেত্রী বলেন, "ভোট চোর বিজেপি। ভোট লুঠ, বলছে ঝুট। ভোট লুঠ করছে দেখুন, অধিকার লুঠ করছে দেখুন। গণতন্ত্র লুঠ করছে দেখুন। নাগরিক অধিকার লুঠ করছে দেখুন। সাংবিধানিক অধিকার লুঠ করছে দেখুন। ভোটাধিকার লুঠ করছে দেখুন। এই লুঠেরাদের কোনও ক্ষমা আছে? বিজেপির হয়ে পক্ষপাতিত্ব করছে কমিশন। ভ্য়ানিশ করছে। উনি মানুষের ভোটাধিকার ভ্য়ানিশ করতে চায়। আপনি শুধু বিজেপিকে সন্তুষ্ট করছেন।" এদিনও ধর্মতলার ধর্নামঞ্চে এই ইস্যুুতে সরব হন মমতা। পাশাপাশি চ্যালেঞ্জ করেন বিজেপিকে।

তিনি বলেন, "অনেক মানুষ স্ট্রোকে মারা গেছেন। পলিটিক্যাল স্ট্রোক জানেন তো ? আর কত দালালি আপনারা করবেন বিজেপি ? সব এজেন্সি হাতে। ভারতে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। একটাই পার্টি, একটাই সরকার। সব্বাইকে গ্রাস করে ফেলেছে। একেবারে গ্রহণ। ভারতে গণতন্ত্রে গ্রহণ লাগিয়েছে। সবাইকে গ্রাস করে ফেলেছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি বিজেপি পার্টিকে, আর বিজেপির দিল্লির বজ্জাত নেতাগুলোকে। গুন্ডা নেতাগুলোকে। গণতন্ত্রে লড়াই করার সাহস নেই, কারণ আপনার বুথে এজেন্ট নেই।"

Continues below advertisement