কলকাতা: সম্প্রতি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক। তারপর রাজ্যের মানুষ সাক্ষী থেকেছে পালাবদলের। তার পরপরই রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন তিন তৃণমূল সাংসদ; সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইক। আর এবার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিকও। কোয়েল পদত্যাগ করার পর এদিন লাইভে এসে ফের মুখ খুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।   

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: কলকাতার পর এবার জেলাতেও মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন

আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, যাঁদের যাঁদের বিজেপিতে যাওয়ার আছে তাঁরা যেন ২১ জুলাইয়ের আগেই সে সব সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, "যাঁদের যাঁদের যাওয়ার আছে আরও, বিজেপির চাপে, পুলিশের চাপে, মাথানত করার চাপে, কোর্টের চাপে, মানে কেসের চাপে, ইডির চাপে, সিবিআইয়ের চাপে; তাঁদের অনুরোধ করে বলব, প্লিজ, ২১ জুলাইয়ের আগে যাঁর যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়ে নিন। যাঁরা যাঁরা বাঁচতে চান জীবনে, লোটা কম্বল নিয়ে তাঁরা দয়া করে যেখানে ইচ্ছা যান। বিজেপির কথা শুনে। দয়া করে, আমরা যে দলটি তৈরি করেছি, তাকে কলঙ্ক লিপ্ত করবেন না।"   

Continues below advertisement

একই সঙ্গে এদিন এমন কিছু ইঙ্গিত দেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, যার ফলে রীতিমত নড়েচড়ে বলেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "যাঁরা আজও যাচ্ছেন, তাঁরা কিন্তু আজও আমাদের সঙ্গে গোপনে গোপনে যোগাযোগও রাখছেন। পরিবার বাঁচান, পরিবারকে তো বাঁচানোর দরকার। কারণ, আপনাদের পরিবার, সম্পত্তি, লাগেজ, ব্যাগেজ; এই জন্যই তো বিজেপির প্যাকেজ।"   

আরও পড়ুন: ১৭ বছর বয়সেই ৩০০ ক্যাডেটকে নেতৃত্ব, আমেরিকান নৌবাহিনীতে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন ঋদ্ধি চৌহানের

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাইও ফেসবুক লাইভে এসে একাধিক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, "এখনও পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে রাজ্যসভার ১০ জন ও লোকসভার ৮ জন, অর্থাৎ ১৮ জন সাংসদ রয়েছেন। অনেকে বিধায়কও আছেন। হ্যাঁ, কাউকে কাউকে পুলিশকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে...। পুলিশ গিয়ে বলছে গাড়ি নিয়ে এসেছি। হয়, বিজেপির কোলে যারা দুলছে, কী আর বলব; সেটিং কোম্পানি, সেটিং কোম্পানিতে নাম লেখান। নাহলে গাড়ি নিয়ে এসেছি, জেলে যান। নাহলে আপনার ছেলেকে গ্রেফতার করব, মেয়েকে গ্রেফতার করব। বা আপনার পরিবারকে গ্রেফতার করব।"