কলকাতা: গতকাল ২৮ অক্টোবরই বিধানসভার লবিতে কাজল শেখকে মিষ্টি মুখ করিয়েছিলেন মমতা তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আর তারপরই কাজল শেখের ২ রক্ষীকে তুলে নিল পুলিশ। ২০২১ সাল থেকে নিরাপত্তা পেতেন বীরভূমের হাঁসন বিধানসভার বর্তমান বিধায়ক। ২০২৩ সালে যখন তিনি বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি হন, তারপর তাঁর জন্য বরাদ্দ হয় Y ক্যাটেগরির সুরক্ষা। আর পরবর্তীতে ২০২৬ সালে তাঁর জন্য Y+ ক্যাটেগরির সুরক্ষা বরাদ্দ করা হয়। যদিও ভোটের পর তিনি বিধায়ক হলেও তাঁর সুরক্ষা কমিয়ে দেওয়া হয়।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে UPSC-র প্রস্তুতি, সঙ্গে ছিল ইউটিউবই; দ্বিতীয় চেষ্টায় IAS রাজস্থানের যতীন

জানা গিয়েছে, গণতান্ত্রিক তৃণমূলের বিধায়ক কাজল শেখের ২ রক্ষীকে তুলে নিয়েছে পুলিশ। কাজল শেখ নিজেই জানিয়েছেন তাঁর দেহরক্ষী প্রত্যাহার করা হয়েছে। যদিও এর থেকে বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি। এ ছাড়াও তিনি বলেন, বীরভূমের জেলা পুলিশ সুপারকে এই বিষয়ে যেন প্রশ্ন করা হয়। যদিও জেলা পুলিশ সুপারও জানিয়েছেন কাজল শেখের ২ জন দেহরক্ষী প্রত্যাহার করা হয়েছে।           

Continues below advertisement

মনে করা হচ্ছে গতকাল শোভনদেবের মিষ্টিমুখ করানোর ঘটনারই রেশ এটা। কারণ, গতকালের ওই ঘটনা সামনে আসার পরই একটা রাজনৈতিক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তবে কি এবার শিবির বৈদল করছেন কাজল শেখ? এর আগেও একাধিকবার এই প্রশ্ন উঠেছিল। কারণ, এর আগে যখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বীরভূমে গিয়েছিলেন, তখনও কাজল শেখকে দেখা যায়নি। আর সেই সময়ই এই প্রশ্ন ওঠে যে, তবে কি এবার শিবির বদল করতে চলেছে কাজল শেখও।           

আরও পড়ুন: দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে কুণাল ঘোষের পোস্টে বিতর্ক, হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে হাজিরা কুণালের

জানা গিয়েছে, তাঁর সঙ্গে ২ জন সর্বক্ষণের দেহরক্ষী থাকত। আর সেই ২ জনকে আজ দুপুরের দিকে তুলে নেওয়া হয়েছে। যদিও বিজেপির বীরভূমের জেলা সভাপতি জানিয়েছেন, "এটা পুরোটাই পুলিশের বিষয়। এখানে রাজনীতির কিছু নেই।" যদিও এই ঘটনা জানার পর কাজল শেখ কোর্টে যাওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। এ ছাড়াও তিনি বলেন, "মিষ্টি খাওয়ার জন্য রক্ষী তুললে, আবার মিষ্টি খাব"।