কলকাতা: 'মাওবাদী নেতা আকাশ গ্রেফতার', এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। গ্রেফতারির পর কলকাতা পুলিশের STF-কে অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রীর।সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, 'পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর থেকে আকাশকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে পুলিশের হাত এড়িয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল আকাশ। আমাদের রাজ্যের ভিতর কোনও রেড করিডর পুনরুজ্জীবনের কাজ হতে দেবে না প্রশাসন', মাওবাদী নেতা আকাশের গ্রেফতারির খবর জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর।
আরও পড়ুন, "আমাকে সামলাতে পারছে না", থানায় হাজিরা দিয়ে বেরিয়ে বললেন কুণাল
এদিন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, দেখুুন আমরা বলেছিলাম মাওবাদ-কে আমরা নির্মুল করে দেব। মাওবাদীদের জনবিচ্ছিন্ন করে দেব। তাঁদের কারণে প্রান্তিক অঞ্চলে উন্নয়নের কাজ ব্যহত হচ্ছে। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ডক্টর মনমোহন সিংহ, ইন ইজ অ্যা বিগেস্ট থ্রেট থ্য়ু আওয়ার ইন্টার সিকিউরিটি। কংগ্রেস বিবৃতি দিয়েছিল, কিন্তু সেটা বাস্তবায়িত করতে পারেননি। করে দিয়েছেন আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাই সেই কারণেই দুই একটা ছিটকে এদিক ওদিক যারা আছে, সেখানে অভিযান চলবে।’
সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল, সারান্দা জঙ্গলে স্কোয়াড ছিল, অনেক অ্যাকশন হওয়ার পর, ডিসলোকেট হয়ে যায়। তারপরে অনেক লোকের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের যারা ১১-১২ জন ছিলেন, ওরা ওখান থেকে সেপারেট হয়ে বিভিন্ন জায়গায়, চলে আসে। কিছুজন ঝাড়খণ্ডে গ্রেফতার হয়, এবং আর এখানে যারা আশ্রয় নিচ্ছিল, সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন ওই মাওবাদী নেতার থেকে, কিছু পেনড্রাইভ পাওয়া গিয়েছে। কিছু নগদ টাকা, কিছু ডকুমেন্ট, কিছু চিঠি পাওয়া গিয়েছে। ওইগুলি আমরা, খতিয়ে দেখছি। ওখান থেকে কী ইনফরমেশন বের হচ্ছে, জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও যদি জানা যায়…। কিষণজির মৃত্যুর পর, ২০১২ থেকে কিছু লোকের সঙ্গে আকাশ ঝাড়খণ্ডের দিকে চলে যায়। তারপর সারান্দা জঙ্গলে চলে যায়।
প্রশ্ন: স্যার ঝাড়খণ্ড পুলিশ কি তদন্ত করতে এখানে আসছে ?
পুলিশ কর্তা: হ্যাঁ। ওদের ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে। ওরা ওখান থেকে আসবে। ঝাড়খণ্ডেও ১৭-১৮টা কেস আছে। আমাদের এখানেও ১২-১৩টা পুরনো কেস আছে। ওইসব কেসে, শ্রদ্ধা বিশ্বাস বলে কিছুদিন আগে গ্রেফতার হয়েছিল, ওকে জেরার পরেই অনেক কিছু জানা গিয়েছে। ..অন্যান্য কেসে কী ভূমিকা রয়েছে সব তদন্ত করে দেখা হবে (যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে)।
