মেদিনীপুর: পাঁশকুড়ার শিক্ষিকার হোটেলে রহস্যমৃত্যুর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে! তমলুকের হোটেল থেকে পাঁশকুড়ার শিক্ষিকার দেহ উদ্ধার। শিক্ষিকাকে খুনের অভিযোগ পরিবারের। গোটা ঘটনায় শোকের ছায়া এলাকায়।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'কাল সকালের মধ্যে হিন্দু ঘরে ধ্বজ লাগাতে হবে', নন্দীগ্রামের রানিচকে গিয়ে হুঙ্কার শুভেন্দুর

Continues below advertisement

শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে শিক্ষিকা,প্রাথমিক অনুমান পুলিশ। তদন্তে নেমে শিক্ষিকার ১ বন্ধুকে আটক করতে যায় পুলিশ। আটক করতে যাওয়ার আগেই কীটনাশক খেয়ে নেন শিক্ষিকার বন্ধু ! আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিক্ষিকার বন্ধু তমলুক মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি। হোটেলের সামনে বিক্ষোভ-ভাঙচুর স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের। 

সম্প্রতি নদিয়ার রাণাঘাটে কুড়ুলের কোপে জোড়া খুনে গ্রেফতার হয়েছিল শ্বশুর। নদিয়ার রাণাঘাট থানার হবিবপুর আশুতোষপুর গ্রামে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিযোগ, কুড়ুল দিয়ে নৃশংসভাবে ছেলের বউ ও তার মাকে কুপিয়ে খুন করেছিল শ্বশুর। কিছু মাস আগে ভয়াবহ খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল খাস কলকাতাতেও। সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে দাদাকে খুনের অভিযোগ  ভাইয়ের বিরুদ্ধে। নীরজ জয়সওয়ালকে খুনের অভিযোগে ভাই ধীরজ জয়সওয়ালকে গ্রেফতার পার্ক স্ট্রিট থানার। দুই ভাই পার্ক স্ট্রিট এ জে সি বোস রোডের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বাবার সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ হয়। অভিযোগ নীরজকে ঘুষি মারে ধীরজ। ইটের উপর পড়ে গিয়ে নীরজের মাথায় গুরুতর চোট লাগে, হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারায় মামলা করা হয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। 

কিছুদিন আগে শ্যামপুকুরে গৃহবধূকে খুন করে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণের একটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এরপর  গৃহবধূ পূজা পুরকায়েতকে হাসপাতালে নিয়ে যায় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। শরীরে আঁচড়, অস্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে হচ্ছে, পুলিশকে জানিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তদন্তে নেমে গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে , তাঁর স্বামীর হাতে লেখা নোট উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর জানা যায় শ্বাসরোধ করে খুন করে হয়েছে গৃহবধূকে। স্ত্রী-র বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক আছে, এই সন্দেহে খুন করা হয়েছে পূজা পুরকায়েতকে, খবর আসে পুলিশ সূত্রে। 

বাগবাজারের স্ত্রীকে খুনের পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পন করেন নিহতের স্বামী! পুলিশ সূত্রে দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে নিহতের স্বামী দাবি করেন, সম্প্রতি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন স্ত্রী। সেই নিয়ে অশান্তি চলছিল তাঁদের মধ্য়ে। শুক্রবার তা চরমে পৌঁছতেই এই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন তিনি। পরিকল্পনা ছিল স্ত্রীকে খুনের পর গোটা ঘটনা আত্মহত্য়া বলে ধামাচাপা দেওয়ার। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি!