কলকাতা: অনুপ্রবেশকারীদের থাকার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ। অনুপ্রবেশকারী ধৃত বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের রাখার জন্য হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ। বেআইনিভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের রাখার জন্যও হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ। রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসকদের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র দফতরের। 'যে সমস্ত বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গাদের জেল থেকে ছাড়া হয়েছে তাদের সেখানে রাখা হবে।'

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর দফতর ভিত্তিক শূন্যপদ পূরণে তৎপর রাজ্য, 'এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে..' 

Continues below advertisement

 "অনুপ্রবেশকারীদেরকে কোর্টে না পাঠিয়ে, বাংলাদেশ বর্ডারে BSF-এর কাছে পাঠানোর যে আইন কার্যকর হয়েছে..."

হাওড়ার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে একাধিক বিষয়ে কড়া বার্তা দেন মুখ্য়মন্ত্রী। ক্ষমতায় এসেই অনুপ্রবেশ আটকানোর দিকে নজর দিয়েছে বিজেপি সরকার। কাঁটাতার বসানোর জন্য় BSF-এর হাতে জমি তুলে দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক বৈঠকেও ফের অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করে দেন মুখ্য়মন্ত্রী।মুখ্য়মন্ত্রী  শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অনুপ্রবেশকারীদেরকে কোর্টে না পাঠিয়ে, বাংলাদেশ বর্ডারে BSF-এর কাছে পাঠানোর যে আইন কার্যকর হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, পুলিশ কমিশনারকে এবং RPF-কে সরাসরি বলে দেওয়া হয়েছে, হাওড়া স্টেশন থেকে CAA-র আওতায় পড়েন না, এমন বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে কোর্টে পাঠাবেন না। তাঁকে ভাল করে খাওয়াদাওয়া করিয়ে, সোজা বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে, নইলে বসিরহাটে BOP-র কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্য়বস্থা করতে। এবং, তার সংখ্য়া প্রত্য়েক সপ্তাহে DGP-র মাধ্য়মে CMO-তে পাঠাতে হবে।

" যারা প্রকাশ্যে CAA-র বিরোধিতা করে, যে CAA-কে হঠানোর কথা বলে.."

 ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, যারা প্রকাশ্যে CAA-র বিরোধিতা করে, যে CAA-কে হঠানোর কথা বলে, তারা কি আপনাদের ভাল চাইতে পারে? যদি কেউ ভুল করেও তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার কথা ভাবে, তাহলে তিনি নিজের পূর্বপুরুষের মনে দুঃখ দেওয়ার কাজই করবেন। প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে উৎখাত করা হবে। তৃণমূল কোনও অনুপ্রবেশকারীকে বাঁচাতে পারবে না।  ভোটের আগে তৃণমূল যখন SIR-এর নামে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলছিল, তখন অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে তৃণমূলকে এক সারিতে ফেলে নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে অমিত শাহর মুখে ফের শোনা গেছে "চুন চুনকে" শব্দবন্ধ। তিনি বলেছিলেন,'  বাংলা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের চুন চুন করে বের করে দেওয়া হবে।'