অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, বিজেন্দ্র সিংহ, কলকাতা: নভেম্বরের শেষে নয়, পুরভোট হবে ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে। সূত্রের খবর, আইনগত জটিলতা না থাকলে পুরভোট হতে পারে ২০ ডিসেম্বর কিংবা তার আশপাশের কোনও তারিখে। ফল ঘোষণা হতে পারে ২৫ ডিসেম্বরের আগে। সূত্রের দাবি, জানুয়ারিতেই হতে পারে নতুন বোর্ড গঠন। একদিকে বিজেপির দাবি যত তাড়াতাড়ি ভোট হয় ততই ভাল। এদিকে পুরভোট নিয়ে কটাক্ষ করে মদন মিত্র বলেছেন, যত দেরি হবে, ততই সিট কমবে বিজেপির। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'চাঁদার জুলুম', ট্য়াংরায় আইনজীবীকে মারধর ও বাড়িতে ভাঙচুরের গুরুতর অভিযোগ, কাঠগড়ায় BJP

Continues below advertisement

বিজেপি দাবি করছে, তৃণমূলের বিদায়ে পশ্চিমবঙ্গবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। পাল্টা মমতা-তৃণমূলের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে একনায়কতন্ত্রের সূচনা হয়েছে। এই তরজার আবহেই সামনে পুরভোট। সূত্রের খবর,আইনগত জটিলতা না থাকলে পুরভোট হতে পারে, ২০ ডিসেম্বর কিংবা তার আশপাশের কোনও তারিখে। ফল ঘোষণা হতে পারে ২৫ ডিসেম্বরের আগে, জানুয়ারিতে হতে পারে নতুন বোর্ড গঠন।কালীপুজোর কিছুদিন পরই বেরোতে পারে পুরভোটের নোটিফিকেশন।এই অবস্থায় পুরভোটকে সামনে রেখে আটঘাঁট বেঁধে তৈরি সব পক্ষই। সূত্রের খবর চলতি মাসেই ১৫ কিংবা ১৬ তারিখের মধ্যে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিতে পারে বিজেপি। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ডিসেম্বরেই হওয়ার(পুরভোট) কথা আমি শুনছিলাম এবং এখনও আমি জানি ডিসেম্বরেই হবে(পুরভোট)। মদন মিত্র, বিধায়ক, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস: শুভস্র শীঘ্রম। এটা বিজেপির...বলছি। কারণ আপনি যদি ১০ দিন দেরি করেন, আপনার ১০টা সিট কমে যাবে। এবিপি আনন্দ: কার?মদন মিত্র, বিধায়ক, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস: বিজেপির।  জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে দিল্লিতে এক ছাতার তলায় এসেছে। চির-প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএম ও তৃণমূল।কিন্তু দিল্লির সমীকরণের প্রভাব পড়বে কলকাতায়? দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতি মমতা তৃণমূল কংগ্রেস বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, ডিলিমিটেশনটাই তো অবৈজ্ঞানিক ভাবে হয়েছে। আমরা অবজেকশন জানিয়েছিলাম। তাও এটা ওরা এভাবে করতে চাইছে।  আমরা তো বলছি ২০২৪ সালের ভোটার তালিকায় ভোট হোক।  ২০৯টা যে করলেন, কার সঙ্গে কথা বলে করলেন?

সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, যেদিন করবেন করুন, আমরা তৈরি। কিন্তু প্রত্যেকটি মানুষের ভোটাধিকার, তারা যেন রক্ষা করতে পারে, সেটার জন্য কি নির্বাচন কমিশন তৈরি আছে? বিজেপি বিরোধী বা পশ্চিমবাংলার ক্ষেত্রে বিজেপি-তৃণমূল বিরোধী সবাই একসঙ্গে লড়লে তাতে বরং সুবিধা হবে বলে আমাদের ধারণা।' রাজ্যে পালাবদলের পর জুনেই মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন ফিরহাদ হাকিম, ৮ জুন কলকাতার পুরসভার প্রশাসক পদে বসানো হয় পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে। নিয়ম অনুযায়ী, ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই পদের মেয়াদ। কিন্তু সূত্রের খবর, এই পদে স্মিতা পাণ্ডের মেয়াদবৃদ্ধি হতে পারে। জানুয়ারিতে বোর্ড গঠন পর্যন্ত তাঁর এই পদে থাকার সম্ভাবনা প্রবল।