মুর্শিদাবাদ: আজ মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা পর্যন্ত পদযাত্রা হুমায়ুন কবীরের। পলাশি থেকে রেজিনগর পর্যন্ত বাইকে রওনা হলেন হুমায়ুন কবীর। সমর্থকদের নিয়ে বাইকে রওনা হুমায়ুন কবীরের। রেজিনগর থেকে বেলডাঙা পর্যন্ত হেঁটে গেলেন হুমায়ুন। গতকালই পলাশি থেকে ইটাহার পর্যন্ত গাড়ি নিয়ে 'বাবরি-যাত্রা' স্থগিত করেছেন JUP প্রধান। পলাশি মনুমেন্ট থেকে শুরু হবে যাত্রা।'আজকের পদযাত্রার জন্য কোনও অনুমতি নেননি হুমায়ুন কবীর', দাবি নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ দুই জেলা পুলিশ প্রশাসনের। আজ থেকেই শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। মাইক বাজানো থেকে শুরু করে একাধিক ক্ষেত্রে রয়েছে পুলিশি নিষেধাজ্ঞা।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'আনম্যাপড্' ভোটারদের তালিকায় থাকার শেষ সুযোগ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন?

Continues below advertisement

এদিন হুমায়ুন বলেন, 'নির্বাচন আসতে দিন। ৫৮ লাখ ২০ হাজার মতো লোকের নাম বাদ গিয়েছে। ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ভোটারের মধ্যে, তার মধ্যে শুধুই ১৮ লাখ মুসলমান, ৪০ লাখের উপর হিন্দু লোকের নাম বাদ গিয়েছে। এরপরে আননেসেসারি মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় এবং বিজেপি মিলে, হেয়ারিংয়ের নামে, বেশিরভাগ মুসলিম ভোটারদের, হিয়ারিংয়ে ডাকছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবে, বিজেপি পশ্চিম বাংলার গদিতে.....। কত যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন বাধা দিয়ে এসেছে।এবং এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগঠনের মাইনরিটি.. সংগঠনের কিছু নেতা, মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, ...তাঁদেরকে নিয়েই বাবরি মসজিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আমার মনে হয়, বাংলায় যে চার কোটি ২৬ লক্ষ মুসলমানের বাস, তার মধ্যে ২ কোটি ৮২ লক্ষ মুসলমান, ছেলে মেয়ে মিলে ভোটার, তাঁদের সিংহভাগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দেবে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেবে। আর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে রুখে দেওয়ার জন্য মুসলমানদের জোট হচ্ছে। এখন সিপিএমও সেই জোটে সামিল হতে পারে। চান্স আছে। আসলেও ভাল, না আসলেও ভাল। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আমি ওপেন চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করে দেব। কমিশন যখন, নির্বাচনের শিডিউল ডিক্লিয়ার করবে, তারপরেই আমি আমার প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করে দেব।'

বিধানসভা ভোটে তৃণমূল, বিজেপি আর কংগ্রেস তিন দলই একলা চলো নীতি নিয়েছে। এটা আপাতত স্পষ্ট। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে,সিপিএম কি শেষ অবধি হুমায়ুন কবীরের হাত ধরবে? নাকি একাই লড়বে? কাউকে পাশে না পেলে হুমায়ুনই বা কী কৌশল নেবেন?এসব নিয়ে জল্পনার মধ্যেই নতুন দাবি করলেন ভরতপুরের বিধায়ক। সম্প্রতি হুমায়ুন কবীর বলেন, আমি যদি ১০০-তে আটকাতে পারি বিজেপিকে, না দখল করতে দিতে পারি, তাহলে দিদি কেন... ১৯৪টা হিন্দু মেজরিটি সিটে দিদি আটকাবে, তাহলে তো বিজেপি ফিনিশ। বিজেপি ৭৭ থেকে ৪০-এ নেমে আসবে। তাহলে সবারই সাফল্য।  (দিদি) একাই মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাক। আমরা অপজিশনে বসি, কোনও অসুবিধা নেই।'