রাজীব চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের রানীনগরে নৌকা ডুবির ঘটনা। সাতসকালে নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নৌকাটিতে প্রায় ৩০-৩৫ কৃষক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তারা চরের জমিতে কাজের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল।                       

নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী থাকার জন্য এই দুর্ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রানীনগর থানার পুলিশ। সুজন সেখ নামের এক যুবক নিখোঁজ। তার খোঁজ করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।                              

মাছ ধরার জাল দিয়ে খোঁজ চলছে। মঙ্গলবার সকালে চর সরণদাজপুর কারগিল ঘাট থেকে অপর পারে যাওয়ার সময় একটি নৌকা উল্টে যায়। নৌকাটিতে প্রায় ৩০-৩৫ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশকে উদ্ধার করা হয়েছে,একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনা জানাজানি হতেই নদীর তীরে ভীড় জমিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সুজন সেখের পরিবারের লোকজন উৎকণ্ঠার মধ্যে আছে। প্রশাসনের তরফ থেকে ডুবুরি আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে, সোমবার বিকেলে গোসাবা ও বাসন্তীর গদখালির মধ্যে বিদ্যাধরী নদীতে খেয়া পারাপারের সময় একটি যাত্রী বোঝাই ভুটভুটি  চড়ায় আকটে যায় মাঝ নদীতে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। গোসাবা থেকে গদখালি আসার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ভুটভুটিটি। নদীতে জল কম থাকলেও সেই সময় ছিল মারাত্মক স্রোত। বিষয়টি অন্যান্য ভুটভুটির মাঝিদের নজরে আসতেই তাঁরা উদ্ধারের জন্য এগিয়ে যান। 

কিন্তু ততক্ষণে অনেক যাত্রীই ভীষণ ভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। অনেকে মাঝ নদীতে ভুটভুটি থেকে লাফও দিয়েছেন। তাঁদেরকে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে অন্য ভুটভুটিতে তুলে নেওয়া হয় শেষ পর্যন্ত। দীর্ঘ প্রায় আধঘন্টার প্রচেষ্টায় উদ্ধার হন সকলেই। তবে এদিনের এই ঘটনায় তাঁরা কার্যত মৃত্যুকে সামনে থেকে দেখলেন বলে দাবি যাত্রীদের।            

ভুটভুটিতে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ার কারণেই নদীর চড়ায় আটকে গিয়েছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিনিয়ত এই গোসাবা ও গদখালির মধ্যে খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগ উঠছে। এদিনও সেই কারণেই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পড়তে বাঁচলেন যাত্রীরা। ঘটনার সময়ের ছবি এই মুহূর্তে ভাইরাল সামাজিক মাধ্যমে।