সুজিত মণ্ডল, হাঁসখালি: নদিয়ার হাঁসখালিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধৃত ৫ বাংলাদেশি ও এক ভারতীয় দালাল। মঙ্গলবার বিকেলে হাঁসখালি থানার বড়চুপড়িয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। সেই তল্লাশি অভিযানে ৫ বাংলাদেশি নাগরিক ও এক ভারতীয় দালালকে গ্রেফতার করল নদিয়ার হাঁসখালি থানার পুলিশ।
কলকাতা থেকে জেলা, পুলিশের জালে ধরা পড়ছে একের পর এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত বাংলাদেশিরা হলেন হান্নান মৃধা, মোহাম্মদ রবিউল মন্ডল, মিকাইল শেখ, রাব্বি শেখ এবং রিক্তা বেগম। অপরদিকে ধৃত ভারতীয় দালাল নসীমা মণ্ডল বড়চুপড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশিরা বাংলাদেশের বাগেরহাট, যশোর এবং ঝিনাইদহ জেলার বাসিন্দা। তাঁরা অবৈধভাবে ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে মুম্বই, গুজরাত ও বিহারের মতো রাজ্যে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরে ওই ভারতীয় দালালের সহায়তায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের নসীমা মণ্ডলের বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করে। ধৃতদের এদিন রানাঘাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
দিনকয়েক আগে দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীর হদিশ মেলে খাস কলকাতায়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কালীঘাট থানার পুলিশ। ধৃত আজাদ শেখ ছাড়াও ভুয়ো নথি বানাতে সাহায্য় করার অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়। ১৮ মে, ডিউটিতে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন নেতাজিনগর থানার ASI সুষেণ দাস। কালীঘাটে তাঁকে একটি গাড়ি ধাক্কা মারে। অভিযুক্ত চালকের লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করার পর দেখা যায় জাল নথি দিয়ে বানানো হয়েছে লাইসেন্স। অভিযুক্ত আজাদ শেখ ভারতীয় নয়। জানা গিয়েছে, ২০২৩-এর অক্টোবরে উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল ওই ব্যক্তি। তারপর থেকে এখানেই ছিল। বাংলাদেশের ওই নাগরিককে জাল নথি দিয়ে ভারতীয় ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়ে দেওয়ার অভিযোগে গত ২৪ মে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে কালীঘাট থানার পুলিশ। ধৃত জাফর আলি শেখ ন্যাজাটের বাসিন্দা। এক দালালের মাধ্যমে অভিযুক্তের সঙ্গে জাফরের পরিচয় হয়। এমন কতজনকে সে জাল নথি দিয়ে ভারতীয় পরিচয়পত্র বানিয়ে দিয়েছে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।