নয়াদিল্লি : ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ( Narendra Modi ) ।  দেশে সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর  সবচেয়ে দীর্ঘসময় দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন মাইলস্টোন স্পর্শ করেছেন তিনি। জওহরলাল নেহরুর রেকর্ডও অতিক্রম করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদি এই নয়া রেকর্ড স্পর্শ করায় দেশজুড়ে চলছে সেলিব্রেশন। বিজেপির শীর্ষনেতারা অভিনন্দন জানান তাঁকে। আনন্দে ভাসে গেরুয়া শিবির। সারা বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের থেকেও শুভেচ্ছাবার্তা এসেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি কী বলছেন ? 

Continues below advertisement

২০১৪ সালের ২৬ মে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বুধবার তিনি টানা ৪,৩৯৯ দিন প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার রেকর্ড গড়েন। এর ফলে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর ( Jawaharlal Nehru ) টানা ৪,৩৯৮ দিন প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার রেকর্ড ভেঙে দিলেন মোদি। স্বাধীন ভারতের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর ১৯৫২ সালে নেহরু নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। বুধবার এই নয়া মাইলফলক স্পর্শ করায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ দেওয়া বিশেষ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি লিখলেন,  “জনসেবাই সুশাসনের সবচেয়ে বড় মাপকাঠি। যিনি বিনয়,নিষ্ঠা এবং কর্তব্যবোধ নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করেন, তিনিই মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারেন।”

কে কে শুভেচ্ছা জানালেন ? 

Continues below advertisement

একইসঙ্গে নেতৃত্ব এবং শাসনব্যবস্থা নিয়ে একটি সংস্কৃত শ্লোকও উদ্ধৃত করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, শাসকের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ এবং নম্রতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন NDA-র একাধিক শীর্ষ নেতা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লেখেন, “মোদি সরকারের ১২ বছর,ভারতের আত্মগৌরব পুনরুদ্ধার, সাংস্কৃতিক নবজাগরণ এবং দাসত্বের মানসিকতা থেকে মুক্তির সময়।”                

অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও সংবাদমাধ্যমে লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি শুধু প্রকল্প বা কর্মসূচিই গ্রহণ করেননি, তিনি দেশবাসীকে একটি স্পষ্ট লক্ষ্য, বৃহৎ দৃষ্টিভঙ্গি এবং আত্মবিশ্বাসে ভরা জাতীয় সংকল্প দিয়েছেন।”

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ( Rajnath Singh)প্রধানমন্ত্রী মোদিকে “অদম্য কর্মযোগী” বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘Nation First’ নীতিতে বিশ্বাসী মোদির নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন, মানুষের কল্যাণ এবং প্রশাসনিক পরিবর্তনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, টানা এতদিন প্রধানমন্ত্রী পদে থাকা শুধু রাজনৈতিক সাফল্য নয়, বরং দেশের ভোটারদের দীর্ঘমেয়াদি আস্থারও প্রতিফলন। 

আরও পড়ুন : কেন তৃণমূল ছাড়লেন সুস্মিতা? এবার কোন দলে? ইস্তফা দিয়েই দিলেন বড় বার্তা 

আরও পড়ুন : দিল্লিতে এবার নতুন সমীকরণ? ভেঙে চুরচুর তৃণমূল, সেই সময়ই অভিষেক ছুটলেন কার কাছে?