কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ দিবসে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছাবার্তা প্রধানমন্ত্রীর। 'পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের আমার বোন ও ভাইদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। এই দিনটি এমন এক রাজ্যকে উদযাপন করে যা সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প, আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও ব্যবসা, সমাজ সংস্কার এবং আরও অনেক বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে। তার অবদানের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসকে রূপদান করেছে। বারবার, অগণিত ভাবে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ২০ জুন দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনেই নিশ্চিত করা হয়েছিল যে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অংশ হিসেবেই থাকবে। এর পিছনে ছিল ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অমূল্য অবদান। ২০২৬ সালে, আমরা ডক্টর মুখোপাধ্যয়ের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীও পালন করছি। জনগণের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। আমি পশ্চিমবঙ্গের অগ্রগতি এবং পশ্চিমবঙ্গবাসীর সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করছি', সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।
পাশাপাশি শুক্রবার একটি পোস্ট করে মোদি জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে এসে তাঁর কর্মসূচি সম্পর্কে।
আরও পড়ুন, আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মচারীদের হাজিরা বাধ্যতামূলক? কী জানাল হাইকোর্ট?
সোশাল মিডিয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'আগামী ২ দিন আমি পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করব। আমরা পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করছি।অনুষ্ঠানটি হুগলি জেলার তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত হবে। তারকেশ্বরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করা হবে। তারকেশ্বর থেকে পিএম কিষাণ-এর ২৩তম কিস্তি প্রকাশ করা হবে। যার ফলে ভারতজুড়ে অগণিত কৃষক উপকৃত হবেন। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা। ২১ তারিখে কলকাতায় যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। কলকাতায় এমন একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। যোগ দিবসের অনুষ্ঠানের পর আমি আরেকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেব। যেখানে ৩ টি নৌ-জাহাজকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবর্তন করা হবে। ৩ টি নৌ জাহাজ আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।'
