কলকাতা : রাজারহাটে বিস্ফোরণ কাণ্ডে রিপোর্ট পেশ করল NIA। শনিবার একটি ঘরে রাখা সুতলি বোমা ফেটে আহত ১ জন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাড়ির দেওয়াল। জানা গিয়েছে, এক ব্যক্তি ওই ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন। সেই ঘরেই বিস্ফোরণ ঘটে। কেন বোমা মজুত রাখা হয়েছে? জানতে পুলিশের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে এবং CC ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। বোমা রাখার পিছনে রাজনৈতিক কারণ থাকার সম্ভাবনা আছে বলেও সন্ধেও করছে তদন্তকারী সংস্থা।               

Continues below advertisement

রাজারহাটে বিস্ফোরণকাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার মহম্মদ শাহেনশা। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মহম্মদ শামিমকে কালই গ্রেফতার করা হয়েছিল। আজ আবার একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দক্ষিণ নারায়ণপুরে বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার বেড়ে ২। ধৃতদের কোর্টে তুলে ১৪ দিনের হেফাজতের আবেদন জানাবে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃত মহম্মদ শামিমের ভাড়া নেওয়া ঘরেই বিস্ফোরণ হয়। শুক্রবার রাতে শামিমের ঘরে গিয়ে একটি সাদা ব্যাগ রেখে আসে নাবালক। ব্যাগ রেখে বেরিয়ে বেরিয়ে যেতেই বিস্ফোরণ ঘটে। শামিমই ঘরে ব্যাগ রাখতে পাঠিয়েছিলেন, দাবি নাবালকের। বিস্ফোরণের পরেও ঘরে মেলে একাধিক বোমা।                                               প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত তখন ৮ টা। শনিবার হঠাৎ কেঁপে উঠল বাড়ি। আলোর ঝলকানি ও ধোঁয়া। রাজারহাটের দক্ষিণ নারায়ণপুরে ঘটল ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ঘটনায় আহত হয়েছেন ১ জন। ওই বাড়িরই এক বাসিন্দা জানান, "এমন বিস্ফোরণ হল যে আমার ঘরের পাখা খুলে পড়ে গেল। চারদিক পুরো ধোঁয়া ধোঁয়া হয়ে গিয়েছিল।"            বাড়ির মালিক বলছেন, "আমার কাছে এরা এসেছিল দালালের মাধ্যমে। আমরা বুঝতে পারিনি যে ও যাকে নিয়ে এসেছে সে এইভাবে কিছু করবে। ১৫ তারিখ সকালে এসেছিল। ছবি দেওয়া হয়েছিল সাফাইয়ের জন্য। কথা হয়েছিল যখন কাগজ রেডি হয়ে যাবে, তখন থাকতে দেব।" একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে এক কিশোর সাদা রংয়ের একটি ব্যাগ ওই ঘরে রেখে আসে, তারপরই বিস্ফোরণ ঘয়ে। যদিও ওই কিশোরের দাবি, তাকে ঐ ব্যাগে খাবার আছে বলে, তা রেখে আসতে বলা হয়। সে আরও বলে, সেলিমই তাকে এই কাজ করতে বলে।

Continues below advertisement