সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা : ফের সরকারি হাসপাতালে 'শ্লীলতাহানির চেষ্টা'। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালের ঘটনা। ফার্মাসিস্টের প্রশিক্ষণ নিতে আসা মহিলার শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ। গ্রেফতার হাসপাতালেরই গ্রুপ ডি কর্মী রতন মালাকার। গত ৩ ডিসেম্বর হাসপাতালে ফার্মাসিস্টের প্রশিক্ষণ নিতে যান মহিলা। দন্ত চিকিৎসা বিভাগের শৌচালয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা, অভিযোগ মহিলার। গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের প্রশিক্ষণ নিতে আসা মহিলার। ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা।
এটাই প্রথম নয়। এর আগেই সরকারি হাসপাতাল, সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে একাধিকবার মহিলাদের সঙ্গে আপত্তিকর কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি বাদ যায়নি শিশুরাও। ফের একবার কাঠগড়ায় রাজ্যেরই একটি সরকারি হাসপাতাল। স্বাভবতই কর্মী, রোগী - হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। কিছুদিন আগে এসএসকেম- এর ওপডিতে দেখাতে আসা এক নাবালিকার সঙ্গে যৌন নিগ্রহ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। বাড়ির লোক যখন ওপিডির টিকিট কাটতে ব্যস্ত ছিলেন, সেই ফাঁকে ভুলিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় নাবালিকাকে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত আবার আগে এসএসকেএম- এরই অস্থায়ী কর্মী ছিলেন।
সরকারি হাসপাতালে ফার্মাসিস্টের টেনিং করতে আসা মহিলাকে শ্লীলতাহানি অভিযোগ উঠল গ্রুপ ডি কর্মীর বিরুদ্ধে। উত্তর ২৪ পরগপনার গাইঘাটা থানার চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে চলতি মাসের ৩ তারিখে ফার্মাসিস্টের টেনিংয়ের জন্য আসেন এক মহিলা। অভিযোগ, রবিবার তিনি যখন ডেন্টালের ঘরে বাথরুম করতে যান, তখন রতন মালাকার নামে হাসপাতালে গ্রুপ ডি কর্মী তাঁর সঙ্গে শ্লীলতাহানি করে। মহিলা বাথরুম থেকে ফেরার সময় তাঁর সঙ্গে শ্লীলতাহানি করেছে ওই গ্রুপ ডি কর্মী, এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে নির্যাতিতা গাইঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ।
সরকারি হাসপাতালে ফার্মাসিস্টের প্রশিক্ষণ নিতে আসা মহিলাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার হাসপাতালেরই গ্রুপ ডি কর্মী। উত্তর চব্বিশ পরগনার গাইঘাটার চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালের ঘটনা। অভিযুক্তের নাম রতন মালাকার। গত ৩ ডিসেম্বর চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ফার্মাসিস্টের প্রশিক্ষণ নিতে যান এক মহিলা। তাঁর অভিযোগ, তিনি যখন দন্ত চিকিৎসা বিভাগের শৌচালয়ে গিয়েছিলেন, তখন হাসপাতালের গ্রুপ ডি কর্মী তাঁর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এরপরই গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা। এই ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা।