সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা: বিজেপি বিধায়কের স্ত্রীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ! বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়কের স্ত্রীর গাড়িতে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। তবে ঠিক কী কারণে এই হামলা চলেছে, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, মাধ্যমিকে ৩৯ জনের পরীক্ষা বাতিল !

Continues below advertisement

মূলত বনগাঁয় কালীপুজোর অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন অশোক কীর্তনিয়ার স্ত্রী মৌমিতা কীর্তনিয়া।  সেসময়ই আচমকাই তাঁদের সামনে, সশস্ত্র অবস্থায় কয়েকজন ঘিরে ধরে। হামলা চলে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ তুলেছেন এই বিজেপি বিধায়ক। এবং বিজেপি বিধায়কের শাশুড়ি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করে জানিয়েছেন, লাঠির মাথায় আগুন জ্বালিয়ে তাঁরা হামলা করার চেষ্টা করে। ভাংচুর চালায়। এরপর কয়েকজন আহত হয়। এই ঘটনার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পৌঁছয় ঘটনাস্থলে।

অভিযোগ, গোপালনগরের বেলেডাঙায় পৌঁছতেই গাড়ি ঘিরে ফেলে বেশ কয়েকজন। বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার গাড়িতে হামলা, লাঠি-রড-বাঁশ দিয়ে গাড়িতে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারের শাশুড়ি  রিঙ্কু বৈরাগী বলেন,৫০-৬০ জনের মতো দাঁড়িয়ে ছিল। ওদের হাতে রড ছিল। অস্ত্র তো ছিলই। লাঠির মাথায় আগুন ধরানো ছিল। গাড়িটাতে আগুন ধরাবে, এরকম পরিকল্পনা ছিল। বাজে ভাষায় গালাগালি করা হয়েছে।  এদের পরিকল্পনা ছিল আরও বড় কিছু করার। ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছেন ২ বিজেপি বিধায়ক।

 বনগাঁ দক্ষিণ বিজেপি বিধায়ক  স্বপন মজুমদার বলেন, বিধায়কের গাড়ি টার্গেট করেই, তৃণমূলের কিছু হার্মাদবাহিনী  কিছু না শুনেই কাচে হামলা করে। ইট দিয়ে মেরেছে। বনগাঁ উত্তর বিজেপি বিধায়ক  অশোক কীর্তনিয়া বলেন, ২ জনকে জ্য়ান্ত গাড়ির ভিতর পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করেছিল।  যদি যোগ্য় ব্য়বস্থা না নেয়, আগামীতে বনগাঁকে অচল করে দেব, বলে রাখলাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।  যদিও এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই বলে দাবি করছে তৃণমূল।

 তৃণমূল বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ওখানে কিছুদিন আগে SIR-এ একজন আত্মহত্য়া করেছে। তারপরও বিধায়ক যায়নি একবারও। ওখানকার মানুষ ওকে (অশোক কীর্তনিয়া) ভোট দিয়েছিল। তাই জিজ্ঞেস করতে গেছিল।  উত্তপ্ত কথাবার্তা হতে হতে গাড়ির থেকে ওর (অশোক কীর্তনিয়া) ছেলেরা নেমে মারধর করে।  ওখানকার স্থানীয়রা খেপে গিয়ে তারপরে উত্তপ্ত হয়েছে। এরমধ্য়ে রাজনীতির কোনও ব্য়াপার নেই। ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বনগাঁর গোপালনগর। বিশাল পুলিশবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।