সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা: উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা স্টেশনের কাছে বিধ্বংসী আগুন, গোবরডাঙা স্টেশনের কাছে বাজারে আগুন। আগুনের জেরে এলাকায় আতঙ্ক, পৌঁছেছে দমকলের ২টি ইঞ্জিন।
আরও পড়ুন, RG কর কাণ্ডে দ্রুত বিচার চেয়ে এবার দিল্লিতে গেল অভয়া মঞ্চ
সকাল সাড়ে ৬ টা নাগাদ গোবরডাঙা স্টেশনের ১ নং প্ল্যাটফর্ম লাগোয়া একটি রেস্টুরেন্টে আগুন লাগে। সেখানে সিলিন্ডার মজুত ছিল, সেই সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয় বলে খবর। আর তার থেকেই বিধ্বংসী আকার নিয়ে আগুন। তাতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। পাশাপাশি আতঙ্কিত হয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দমকলের ২টি ইঞ্জিন ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে।
সম্প্রতি মধ্যমগ্রাম স্টেশনের কাছে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড প্রকাশ্যে এসেছিল। ওই ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়। মুহূর্তেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একাধিক দোকান। জানা যাচ্ছে, প্রথমে একটি রেস্তরাঁয় আগুন লাগে। সেখান থেকে পাশের একটি মিষ্টির দোকান ও পরপর লাগোয়া দোকানে আগুন লেগে যায়। মধ্যমগ্রাম স্টেশনের কাছে আগুন লাগার ঘটনা খুব কম সময়ের মধ্যেই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের চেহারা নেয়। আর এবার ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ফিরল গোবরডাঙা স্টেশনের কাছে।
তবে সাম্প্রতিক কালের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে। আনন্দপুরের ওই অগ্নিকাণ্ডে কারও ঝলসানো দেহাংশ পাওয়া গেছে। কারও সেটাও পাওয়া যায়নি। পরিবারগুলোর উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে গোডাউনে ছড়িয়ে থাকা পোড়া হাড়গোড়ের ছবি। আর সেই দেহাংশের সূত্র ধরেই নিহতদের সনাক্ত করার কাজ চলে। DNA টেস্টের মধ্য দিয়েই দেহ সনাক্তকরণের কাজ চলে।
এর আগে এই ঘটনায়, মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতরও। ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছে 'ওয়াও মোমো' কর্তৃপক্ষও।
সংস্থার তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছিল, ‘আনন্দপুরে Wow মোমোর ওয়্যাহাউসে আগুন লেগে যায়। যে ভাড়াবাড়িতে ওয়্যাহাউসটি ছিল, সেই বাড়ির মালিকের একটি ডেকোরেটরের ব্যবসাও রয়েছে। পাশেই যার গুদাম। সেই গুদাম থেকেই আগুন ছড়ায়। সেসময় আমাদের ওয়্যারহাউসে একজন নিরাপত্তাকর্মী এবং দু’জন সাধারণ কর্মী কাজ করছিলেন।..আমরা মৃতদের পরিবারের পাশে আছি। আমরা ওই পরিবারগুলিকে সবরকম সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। আগামী দিনেও পরিবারগুলির পাশে থাকব।’
