উত্তর ২৪ পরগনা: উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয়, গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তাঁরই প্রেমিক-সহ ২ জনকে। ধৃতদের নাম মুস্তাকিন দেওয়ান ও হাবিবুল্লা সর্দার।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, এবার লালবাজারে তলব ইন্দ্রনীল সেনের মেয়েকে, কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ?

Continues below advertisement

"নির্যাতিতার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে ছিল"

পুলিশ সূত্রে দাবি, মিজানুর মোল্লা নামে আরেক অভিযুক্তর খোঁজে চলছে তল্লাশি। পুলিশ সূত্রে দাবি, নির্যাতিতার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে ছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলার বাসিন্দা অভিযুক্ত মুস্তাকিন। শুক্রবার, তাঁকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার নাম করে মিনাখাঁ থানা এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় আসে সে। পুলিশ সূত্রে দাবি, সেখানেই অপেক্ষা করছিল প্রেমিকের ২ বন্ধু। অভিযোগ, রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়ার পর একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে ওই মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয়। রাতেই ৩ জনের বিরুদ্ধে মিনাখাঁ থানায় অভিযোগ জানান নির্যাতিতা। 

গৃহবধূকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুভাষগ্রামে এক গৃহবধূকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৫ যুবকের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের অভিযোগে ইতিমধ্যেই শেখ আসরফ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।প্রথমে স্বামীকে বেধড়ক মারধর, তারপর স্ত্রীর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে, তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ধর্ষণ। অভিযোগ, আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে এরকমই ভয়ঙ্কর ঘটনার শিকার হন এক গৃহবধূ।  ঘটনাস্থল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুভাষগ্রাম। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের অভিযোগে ইতিমধ্যেই শেখ আসরফ (২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।ধৃতের বাড়ি বারুইপুর থানার মল্লিকপুরে।

আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন ওই গৃহবধূ, রাত দেড়টা নাগাদ..

নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, স্বামীর সঙ্গে সুভাষগ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন ওই গৃহবধূ। রাত দেড়টা নাগাদ, কিছুটা দূরে আত্মীয়ের আরেকটি বাড়িতে ঘুমোতে যাচ্ছিলেন স্বামী-স্ত্রী।অভিযোগ, তখনই তাদের পিছু নেয় অভিযুক্ত পাঁচ যুবক।একসময় দম্পতির পথ আটকে দাঁড়ায় তারা।রাস্তাতেই নির্যাতিতার স্বামীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। প্রাণভয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান।অভিযোগ, এরপর ওই মহিলাকে ফাঁকা ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। দেওয়া হয় প্রাণনাশের হুমকি। 

সোনারপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের

শনিবার সোনারপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। এই ঘটনা সামনে আসার পরেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাংশ। এই প্রসঙ্গে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলর বলেন, এই বিষয়ে পুলিশ-প্রশাসনের অবশ্য়ই নজর দেওয়া উচিত।  ধৃত শেখ আসরফকে ১১ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় বারুইপুর মহকুমা আদালত।