কলকাতা: ধস বিধ্বস্ত নাগরাকাটা পরিদর্শনে গিয়ে মারধরের মুখে বিজেপির সাংসদ ও বিধায়ক। গুন্ডামির শিকার হয়েছেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু। মাথা ফেটে গেছে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার।

আরও পড়ুন, উত্তরবঙ্গে BJP নেতারা আক্রান্ত, সেলিম বললেন, 'খগেন মুর্মু-শঙ্কর ঘোষ একসময় বামপন্থী ছিলেন..'

'বোঝা যাচ্ছে কতটা ভয়ঙ্কর মুখ্যমন্ত্রী..', কী বলছেন সুকান্ত ?

তিনি বলেন, 'বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গে মৃত্যুমিছিল, খবর পেয়েও কার্নিভালে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী। বোঝা যাচ্ছে কতটা ভয়ঙ্কর মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল থেকেই উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ দিচ্ছিল বিজেপির নেতা কর্মীরা। বন্যা-বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। মমতার পুলিশের সামনেই নির্মমভাবে হামলা।এই অমানবিক নৃশংসতার জন্য বাংলার মানুষই শাস্তি দেবে', আক্রমণ সুকান্ত মজুমদারের।

 শিকার হয়েছেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, ঠিক কী হয়েছিল ?

ধস বিধ্বস্ত নাগরাকাটা পরিদর্শনে গিয়ে মারধরের মুখে পড়েন এদিন বিজেপির সাংসদ ও বিধায়ক। মাথা ফেটে যায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুরপিছন থেকে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। নাগরাকাটার বামনডাঙা যাওয়ার মুখে বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিজেপি বিধায়ক, সাংসদ। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের গাড়িতে পাথর, জুতো, লাঠি দিয়ে আঘাত চলে বলে অভিযোগ।বিক্ষোভের মুখে এরপর এলাকা ছাড়েন বিজেপি বিধায়ক-সাংসদরা। এই ঘটনার পর পিছনে তৃণমূল আছে, বলেই অভিযোগ বিজেপির। এদিন ঘটনার পর চালসা থেকে মাটিগাড়ার বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় আহত খগেন মুর্মুকে। 

এই ঘটনায়, এদিন শুভেন্দু বলেন, যে রক্তের ছবি -ভিডিও গোটা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, ভারতবর্ষের মানুষ দেখল, এটা দেখার পরেতো কারওই বলার মত ভাষা, ডিকশনারিতে নেই। বলার মত ভাষা ডিকশনারিতে খুঁজে পাচ্ছি না, যে কী ভাষা দিয়ে এটাকে নিন্দা করা যায়। এটা একটা বর্বর সরকার। অমানবিক সরকার। এবং তৃণমূল কংগ্রেসের চিহ্নিত গুন্ডারা, একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের, তারা করেছে। এবং এটা পরিকল্পিত। যেহেতু গতকাল কার্নিভ্যালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে উৎসব-নাচ, তাতে ওরা ভীষণভাবে, সাধারণ মানুষদের কাছে, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং তার মুখ্যমন্ত্রী ঘৃণীত ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন।